০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ অর্থনীতি মমতাকে জবাব দিতে এবার মোদীর মুখে ‘মৎস্য কথা’!
অর্থনীতিকলকাতাকূটনীতিপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

মমতাকে জবাব দিতে এবার মোদীর মুখে ‘মৎস্য কথা’!

Share
Share

হলদিয়া: ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনীতির ময়দানে এখন অন্যতম প্রধান চর্চার বিষয় হল – ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ ভবিতব্য নিয়ে নানা জল্পনা! তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলায় নাকি মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে! বৃহস্পতিবার যার কৌশলী জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন হলদিয়ার নির্বাচনী প্রচারের মঞ্চ থেকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনিও মৎস্য আখ্য়ান শোনান!

[TECHTARANGA-POST:7913]

সম্প্রতি পুরুলিয়ার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসা মানেই বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ। তাঁর স্পষ্ট বার্তা ছিল, বিজেপি এলে হয়তো মাছ-মাংস খাওয়াও নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসের এই নির্বাচনী ‘আক্রমণ’ রুখতে বঙ্গ বিজেপি আগে থেকেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে। এমনকী, দিলীপ ঘোষের মতো নেতাদের মাছের বাজারে ঢুকে প্রচার করতে দেখা গিয়েছে। যাতে প্রমাণ করা যায় যে বিজেপি মোটেও আমিষবিরোধী নয়।

[TECHTARANGA-POST:7906]

সেই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার হলদিয়ার জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি এই ইস্যুতেই তৃণমূলকে বিঁধলেন। তবে তিনি মাছ বন্ধ হওয়ার প্রসঙ্গে নয়, বরং মাছের ঘাটতি ও দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হন। মোদীর ভাষণের মূল দাবিগুলি হল – গত ১৫ বছরে তৃণমূল সরকার বাংলাকে মৎস্য উৎপাদনে আত্মনির্ভর করতে পারেনি। 

[TECHTARANGA-POST:7911]

বাংলায় মাছের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কেন বাইরে থেকে মাছ আনতে হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর আরও দাবি, গত ১১ বছরে গোটা দেশে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলিতে মৎস্য চাষে বিপ্লব এলেও বাংলা কেন পিছিয়ে, তা নিয়ে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। এমনকী, মাছ আমদানির পিছনেও তৃণমূলের দুর্নীতির যোগ রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী!

[TECHTARANGA-POST:7912]

প্রসঙ্গত, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা মৎস্য চাষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হলদিয়া ও সংলগ্ন এলাকায় হাজার-হাজার মৎস্যজীবী পরিবারের বাস। এই ভোটব্যাঙ্ককে টার্গেট করেই প্রধানমন্ত্রী কৌশলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আমিষ-নিষেধ’ তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়ে ‘অনুন্নয়ন ও দুর্নীতির’ অভিযোগ সামনে আনলেন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

[TECHTARANGA-POST:7898]

বাংলার মানুষের আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই মাছ ইস্যু ২০২৬-এর নির্বাচনে কত বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *