০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ কলকাতা ‘সবটাই AI-এর কারসাজি!’ ১,০০০ কোটির ডিল নিয়ে মুখ খুললেন হুমায়ুন, দিলেন মামলার হুঁশিয়ারি!
কলকাতাকূটনীতিটেকপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষসোশ্যাল মিডিয়া

‘সবটাই AI-এর কারসাজি!’ ১,০০০ কোটির ডিল নিয়ে মুখ খুললেন হুমায়ুন, দিলেন মামলার হুঁশিয়ারি!

Share
Share

কলকাতা: বঙ্গ রাজনীতিতে হুমায়ুনের ‘গোপন ভিডিয়ো’ বিতর্ক এবার এক নতুন মোড় নিল। তৃণমূল কংগ্রেসের ফাঁস করা চাঞ্চল্যকর ভিডিয়োটিকে সরাসরি ‘ভুয়ো’ এবং ‘কৃত্রিম মেধা’ বা AI (Artificial Intelligence) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। তাঁর চ্যালেঞ্জ – ১,০০০ কোটি তো দূরের কথা, ১ কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণ দিলেও তিনি চিরকালের মতো রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেবেন।

[TECHTARANGA-POST:7917]

ভরতপুরের বিদায়ী বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের দাবি, সরাসরি রাজনৈতিক ময়দানে তাঁর মোকাবিলা করতে না পেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষরা মিলে এই গভীর ষড়যন্ত্র করেছেন! হুমায়ুন বলেন, “ভিডিয়োর সত্যতা প্রমাণ করতে না পারলে মুখ্যমন্ত্রী এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করব।” তাঁর দাবি, যে ভিডিয়োটি গত বছরের ১৯ ডিসেম্বরের বলে চালানো হচ্ছে, তা আদতে প্রযুক্তির কারসাজি।

[TECHTARANGA-POST:7911]

ভিডিয়োয় হুমায়ুনকে বিজেপির সঙ্গে গোপন আঁতাঁত করতে এবং বিশাল অঙ্কের টাকা চাইতে দেখা গিয়েছে বলে তৃণমূলের দাবি। কিন্তু হুমায়ুনের পাল্টা যুক্তি, যেখানেই তিনি যাচ্ছেন, সেখানেই মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ তাঁকে দু’হাত তুলে সমর্থন করছেন। তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝতে পেরেছেন মুসলিম ভোট এবার আর তাঁর ঝুলিতে যাচ্ছে না। আর, সেই ভয় থেকেই আমাকে বদনাম করতে এই AI ভিডিয়োর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।”

[TECHTARANGA-POST:7886]

তৃণমূলের প্রকাশিত সেই ১৯ মিনিটের ভিডিয়োয় শুভেন্দু অধিকারী ও হিমন্ত বিশ্বশর্মাদের নাম নেওয়ার পাশাপাশি ১,০০০ কোটি টাকার চুক্তির প্রসঙ্গ ছিল। ভিডিয়োয় হুমায়ুনকে বলতে শোনা গিয়েছিল, তৃণমূলকে আটকাতে তিনি বিজেপিকে সমর্থন করতেও রাজি। এই ভিডিয়োর সত্যতা অবশ্য এখনও নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

[TECHTARANGA-POST:7828]

এখন দেখার, হুমায়ুন কবীরের এই পাল্টা চ্যালেঞ্জের পর তৃণমূল কোনও জোরালো প্রমাণ পেশ করতে পারে কিনা, নাকি বিষযটি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ‘ভিডিয়ো যুদ্ধ’ যে আরও তিক্ত হবে, তা বলাই বাহুল্য।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *