০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ অপরাধ ভোটের মুখে উত্তপ্ত জলপাইগুড়ি! ১০ দিনে ১৬ জন বাংলাদেশি গ্রেফতার, অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা
অপরাধআইন-কানুনকূটনীতিবাংলাদেশভারতবর্ষ

ভোটের মুখে উত্তপ্ত জলপাইগুড়ি! ১০ দিনে ১৬ জন বাংলাদেশি গ্রেফতার, অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা

Share
Share

নির্বাচনের ঠিক মুখে জলপাইগুড়িতে অনুপ্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলায় শুরু হয়েছে জোরদার রাজনৈতিক চাপানউতোর। গত ১০ দিনে জেলায় দু’দফায় শিশুসহ মোট ১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা জনমনে আতঙ্ক এবং নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। 

[TECHTARANGA-POST:7964]

সম্প্রতি গোপন খবরের ভিত্তিতে নর্থ ইস্ট এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালিয়ে আরপিএফ শিশুসহ ১৪ জনকে ধরে, যারা বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ঢুকে কাজের সন্ধানে দিল্লি হয়ে কাশ্মীর যাচ্ছিল। এর কয়েকদিন পরেই মানিকগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় ধরা পড়ে আরও দুই বাংলাদেশি। তথ্য বলছে, জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশের অন্তর্গত রাজগঞ্জ, কোতোয়ালি ও ময়নাগুড়ি এলাকা থেকেই ২০২৫ সালে ২৪ জন এবং ২০২৬ সালের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ২১ জন অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:7965]

ভোটের আবহে এই গ্রেফতারির ঘটনা ঘিরেই এখন রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে জেলার রাজনীতি। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য জিয়াউল আলমের প্রশ্ন, সীমান্ত পাহারার দায়িত্বে থাকা বিএসএফ সেই সময় কী করছিল? অন্যদিকে, কংগ্রেস নেতা নব্যেন্দু মৌলিক কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়কেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। তাঁর দাবি, একদিকে রাজ্য কাঁটাতারের বেড়ার জন্য জমি দিচ্ছে না, আবার অন্যদিকে বিএসএফ সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে পারছে না, যার ফলে এসআইআর (SIR)-এর নামে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করা হচ্ছে।

[TECHTARANGA-POST:7957]

শাসক দল তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র শুভঙ্কর মিশ্র এই সমস্যার দায় ঠেলেছেন বিজেপি ও বিএসএফ-এর দিকে। তাঁর অভিযোগ, বেশিরভাগ অনুপ্রবেশকারীকে রাজ্য পুলিশই গ্রেফতার করেছে, তাহলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি কোথায়? পালটা সুর চড়িয়েছে বিজেপিও। জেলা বিজেপি নেতা জীবেশ দাসের দাবি, দীর্ঘদিনের বাম-কংগ্রেস এবং বর্তমানের তৃণমূল শাসনেই বাংলা অনুপ্রবেশকারীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। তৃণমূল এদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছে বলেও তিনি তোপ দাগেন। সব মিলিয়ে ভোটের মুখে অনুপ্রবেশের এই কাঁটা যে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠছে, তা পরিষ্কার।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *