০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিশ্ব কূটনীতি বিশ্বমঞ্চে ফের ‘ত্রাতা’ সাজতে মরিয়া পাকিস্তান? ট্রাম্প-মুনিরের ফোনালাপে জল্পনা!
কূটনীতিবিশ্ব

বিশ্বমঞ্চে ফের ‘ত্রাতা’ সাজতে মরিয়া পাকিস্তান? ট্রাম্প-মুনিরের ফোনালাপে জল্পনা!

Share
বিশ্বমঞ্চে ফের 'ত্রাতা' সাজতে মরিয়া পাকিস্তান? ট্রাম্প-মুনিরের ফোনালাপে জল্পনা!
প্রতীকী ছবি
Share

ইসলামাবাদ: পশ্চিম এশিয়ার রণক্ষেত্রে যখন পরস্পরবিরোধী শক্তিগুলি একে অপরের রক্তের নেশায় বুঁদ, ঠিক তখনই বিশ্বমঞ্চে ফের একবার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নামল পাকিস্তান! ইরান ও আমেরিকার মধ্যে ভেস্তে যাওয়া শান্তি বৈঠক এবং হরমুজ প্রণালীর রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনার মাঝে এবার সরাসরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বললেন পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির। রয়টার্স সূত্রে খবর, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আগুন নেভাতে এখন নাকি পাকিস্তানের কূটনৈতিক চালের দিকেই তাকিয়ে দুনিয়া!

[TECHTARANGA-POST:8200]

সোমবার ইসলামাবাদে ইরান ও আমেরিকার বসার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসে তেহরান। ইরানের দাবি, আমেরিকা ‘অবাস্তব ও অযৌক্তিক’ শর্ত চাপাচ্ছে। তাই, আলোচনা সম্ভব নয়। এই চরম অচলাবস্থার মধ্যেই আসিম মুনির সরাসরি ফোন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। মুনির ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করেন, হরমুজ প্রণালীর উপর আমেরিকার এই অবরোধ বজায় থাকলে শান্তি আলোচনা কার্যত অসম্ভব। কূটনৈতিক মহলের মতে, দুই যুযুধান পক্ষকে এক টেবিলে আনার এই গুরুদায়িত্ব নিয়ে পাকিস্তান আবারও মরিয়াভাবে প্রমাণ করতে চাইছে যে – আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে তাদের প্রাসঙ্গিকতা ফুরিয়ে যায়নি! বস্তুত, এখানে ভারতকে টেক্কা দিতে চাওয়ার প্রবল আকাঙ্ক্ষাও কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

[TECHTARANGA-POST:8197]

সূত্রের দাবি, এদিনের ফোনালাপে আসিম মুনির হরমুজ অবরোধের নেতিবাচক প্রভাবগুলি ট্রাম্পের সামনে তুলে ধরেন। শোনা যাচ্ছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো আগ্রাসী রাষ্ট্রপ্রধানও নাকি মুনিরের এই পরামর্শ হেসে উড়িয়ে দেননি। বরং তিনি জানিয়েছেন, পাক সেনাপ্রধানের দেওয়া এই পরামর্শ তিনি গুরুত্ব দিয়ে ‘বিবেচনা’ করবেন! মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির জন্য পাকিস্তানের এই দৌত্যকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসাবে দেখছে মার্কিন মহলের একাংশ। যা ভারতের কূটনীতি বা বিদেশ নীতির সাপেক্ষে কতটা শুভ, সেই তর্ক-বিতর্ক অবশ্য আলাদা। 

[TECHTARANGA-POST:8191]

লক্ষ্যণীয় বিষয় হল – ইরান ও আমেরিকা – দুই পক্ষের সঙ্গেই ভারসাম্য বজায় রেখে কথা বলার চেষ্টা করে ইসলামাবাদ। এর নেপথ্যে বেশ কিছু কারণ রয়েছে – যা পাকিস্তানের পক্ষে গিয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। যেমন – ইরানের সঙ্গে ভৌগোলিক নৈকট্য: প্রতিবেশী দেশ হিসাবে তেহরানের উপর পাকিস্তানের প্রভাব অনস্বীকার্য। এবং ট্রাম্পের সঙ্গে সুসম্পর্ক: সামরিক ও কূটনৈতিকস্তরে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে পাকিস্তানের যোগাযোগ বরাবরই ঘনিষ্ঠ।

[TECHTARANGA-POST:8186]

এই সুবিধাগুলি কাজে লাগিয়েই যুদ্ধের আবহে বিশ্বমঞ্চে নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর হিসাবে পরিচিত পাকিস্তান!

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *