০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home লাইফস্টাইল তীব্র দাবদাহে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি: কেন বিগড়ে যায় শরীরের ‘থার্মোস্ট্যাট’, বাঁচার উপায় কী?
লাইফস্টাইলস্বাস্থ্য

তীব্র দাবদাহে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি: কেন বিগড়ে যায় শরীরের ‘থার্মোস্ট্যাট’, বাঁচার উপায় কী?

Share
তীব্র দাবদাহে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি: কেন বিগড়ে যায় শরীরের ‘থার্মোস্ট্যাট’, বাঁচার উপায় কী?
AI GENERATED IMAGE
Share

বৈশাখি গরমে তাপমাত্রার পারদ চড়ার সাথে সাথেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হিটস্ট্রোকের আশঙ্কা। আমাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা সাধারণত ৯৮.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইটের আশেপাশে থাকে, যা নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস বা শরীরের প্রাকৃতিক ‘থার্মোস্ট্যাট’। 

[TECHTARANGA-POST:8238]

প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘক্ষণ থাকলে এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে এবং তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে গেলে শরীর আর ঘামের মাধ্যমে তাপ বের করতে পারে না। ফলে শরীরে জলশূন্যতা তৈরি হয়, সোডিয়াম-পটাশিয়ামের ভারসাম্য বিগড়ে যায় এবং হার্টের ওপর চাপ বেড়ে রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারেন। বিশেষ করে যারা জল কম খান বা ক্রনিক অসুখে ভুগছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি অনেক বেশি। মাথা ঘোরা, বমি ভাব, মানসিক বিভ্রান্তি বা অসম্ভব দুর্বলতা অনুভব করা হিটস্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

[TECHTARANGA-POST:8261]

এই মারণ পরিস্থিতি এড়াতে চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রোদে না বেরোনোই ভালো। বাইরে বেরোলে অবশ্যই ছাতা, সানগ্লাস এবং সুতির হালকা পোশাক ব্যবহার করতে হবে। শরীর ঠান্ডা রাখতে দিনে অন্তত দুবার স্নান করা এবং প্রচুর পরিমাণে জল পান করা জরুরি। 

[TECHTARANGA-POST:8246]

শুধুমাত্র জল নয়, নুন-চিনির শরবত, ডাবের জল, ইলেকট্রোলাইট পানীয় বা শসার রস খেলে শরীরের খনিজ লবণের ঘাটতি পূরণ হয়। খাবারের তালিকায় মশলাদার পদের বদলে টক দই, আমডাল, লাউ এবং মরসুমি ফল রাখা প্রয়োজন। যদি কেউ অসুস্থ বোধ করেন, তবে তাকে দ্রুত ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে গিয়ে ঘাড়, কান ও বগলে আইসপ্যাক দিলে বা স্নান করালে দ্রুত শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। মনে রাখতে হবে, রোদ থেকে ফিরেই হুট করে অতিরিক্ত ঠান্ডা জল খাওয়া বা হুটহাট জ্বরের ওষুধ খাওয়া হিতে বিপরীত হতে পারে, তাই শারীরিক অস্বস্তি বাড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *