০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা ভোটের মুখে ‘অভয়ার মা’-কে পুলিশের সমন! পাল্টা হুঙ্কার দিয়ে কী জানালেন বিজেপি প্রার্থী?
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

ভোটের মুখে ‘অভয়ার মা’-কে পুলিশের সমন! পাল্টা হুঙ্কার দিয়ে কী জানালেন বিজেপি প্রার্থী?

Share
ভোটের মুখে 'অভয়ার মা'-কে পুলিশের সমন! পাল্টা হুঙ্কার দিয়ে কী জানালেন বিজেপি প্রার্থী?
ছবি: সংগৃহীত
Share

পানিহাটি: ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের লড়াই এবার অন্য মাত্রা নিল উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে। নির্বাচনের ঠিক মুখেই এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী, অর্থাৎ ‘অভয়া’-র মা রত্না দেবনাথকে সমন পাঠাল পুলিশ। তবে, সেই সমন গ্রহণ করেননি তিনি। এই ঘটনা কেন্দ্র করে তপ্ত পানিহাটির রাজনৈতিক আঙিনা।

[TECHTARANGA-POST:8273]

বিজেপির প্রার্থী হওয়ার পর নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে রত্না দেবনাথ একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। অভিযোগ, সেই মন্তব্যটি ছিল অত্যন্ত কটু ও কুরুচিকর। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁর বাড়িতে সমন পাঠানো হয়।

[TECHTARANGA-POST:8261]

সমন গ্রহণ না করার পেছনে আইনি ত্রুটির কথা জানিয়েছেন রত্না। তাঁর দাবি, পুলিশের দেওয়া নোটিসে তাঁর স্বামীর নাম ভুল রয়েছে। একইসঙ্গে, তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “ওদের (তৃণমূলের) ভাণ্ডারে আমাকে আক্রমণ করার মতো আর কিছু নেই। তাই, সমন পাঠিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু, আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি – এভাবে আমাকে ভয় দেখানো যাবে না।”

[TECHTARANGA-POST:8251]

গত সপ্তাহেই পানিহাটিতে প্রচারে এসে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্থানীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থীকে ব্যক্তিগত আক্রমণ না করতে। রত্না দেবনাথ সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, “ভাইপো এসে বলে যাচ্ছে শালীনতা বজায় রাখতে, আর অন্যদিকে পিসির পুলিশ সমন পাঠাচ্ছে! ইট ছুড়লেও আমি শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকব। আমি আমার পৃথিবী, আমার মেয়েকে হারিয়েছি। আমার আর হারানোর কিছু নেই।”

[TECHTARANGA-POST:8234]

ভোটের আগে এই সমন ইস্যু পানিহাটির ভোটারদের মনে কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *