০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিশ্ব কূটনীতি ভারত ‘নরক’, ভারতীয়রা ‘গ্যাংস্টার’! ট্রাম্পের বিষোদ্গারে তোলপাড় বিশ্ব, ছিছিক্কার নেটপাড়ায়
কূটনীতিবিশ্বভারতবর্ষ

ভারত ‘নরক’, ভারতীয়রা ‘গ্যাংস্টার’! ট্রাম্পের বিষোদ্গারে তোলপাড় বিশ্ব, ছিছিক্কার নেটপাড়ায়

Share
ভারত ‘নরক’, ভারতীয়রা ‘গ্যাংস্টার’! ট্রাম্পের বিষোদ্গারে তোলপাড় বিশ্ব, ছিছিক্কার নেটপাড়ায়
ছবি সংগৃহীত
Share

ওয়াশিংটন: বন্ধুত্বের মুখোশ খুলে এবার কি তবে স্বমহিমায় ডোনাল্ড ট্রাম্প? আমেরিকার মসনদে দ্বিতীয়বার বসার পর থেকেই একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে শিরোনামে রয়েছেন তিনি। কিন্তু, এবার তিনি যা বললেন, তাতে ভারত ও আমেরিকার কূটনৈতিক সম্পর্কে বড়সড় ফাটল ধরার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একটি রেডিয়ো পডকাস্টে ভারতকে ‘হেলহোল’ বা ‘নারকীয় গহ্বর’-এর সঙ্গে তুলনা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুধু তাই নয়, আমেরিকায় কর্মরত দক্ষ ভারতীয়দের পরোক্ষে ‘ল্যাপটপ গ্যাংস্টার’ বলেও দাগিয়ে দিয়েছেন তিনি!

[TECHTARANGA-POST:8327]

সম্প্রতি মাইকেল স্যাভেজের একটি পডকাস্টের অংশ নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন ট্রাম্প। সেখানে আমেরিকার ‘বার্থরাইট সিটিজেনশিপ’ বা জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার আইনের তীব্র সমালোচনা করা হয়। ট্রাম্পের দাবি, “ভারত, চিন বা এই ধরনের ‘হেলহোল’ (Hellhole) থেকে মানুষ নবম মাসে আমেরিকায় এসে সন্তানের জন্ম দেয়। যাতে সেই সন্তান সরাসরি মার্কিন নাগরিকত্ব পায়। পরে সেই সুযোগে গোটা পরিবার এখানে এসে ভিড় জমায়।” ‘হেলহোল’ শব্দটি মূলত চরম অরাজকতা ও নোংরা জায়গার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। যা নিয়ে ভারতজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:8290]

এখানেই থেমে থাকেননি ট্রাম্প। আমেরিকার প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারতীয়দের আধিপত্য নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। ট্রাম্পের মতে, অভিবাসীরা আমেরিকায় এসে মার্কিন নাগরিকদের ‘দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক’ বানিয়ে দিচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রযুক্তি সংস্থাগুলিতে ভারতীয়দের দাপট নিয়ে তিনি ইঙ্গিতপূর্ণভাবে বলেন, এরা হচ্ছে ‘ল্যাপটপ থাকা গ্যাংস্টার’, যারা আমেরিকার অভ্যন্তরীণ মাফিয়াদের থেকেও দেশের বেশি ক্ষতি করছে।

[TECHTARANGA-POST:8267]

আমেরিকার দেড়শো বছরের পুরনো সংবিধান সংশোধন করতে মরিয়া ট্রাম্প। তাঁর মতে, যখন সংবিধান লেখা হয়েছিল, তখন বিমানে চেপে এসে সন্তান প্রসব করার কোনও ধারণা ছিল না। ইতিমধ্যেই মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব খারিজের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে বিচারবিভাগ হস্তক্ষেপ করবে না। অর্থাৎ, ট্রাম্প চাইলে এখন আইনি পথেই এইচ-১বি ভিসাধারী বা গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় থাকা লক্ষ-লক্ষ ভারতীয় পরিবারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলতে পারেন।

[TECHTARANGA-POST:8323]

ট্রাম্পের এই ‘চরম বিদ্বেষী’ মন্তব্য নিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে এখনও কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া না মিললেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় নেটিজেনরা ট্রাম্পের এই ‘দ্বিমুখী’ আচরণের কড়া নিন্দা করেছেন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *