০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ ভোটের বাজারে মিষ্টির লড়াই! হাওড়ায় দেদার বিকোচ্ছে ঘাসফুল-পদ্ম-কাস্তে হাতুড়ি মার্কা সন্দেশ
পশ্চিমবঙ্গলাইফস্টাইল

ভোটের বাজারে মিষ্টির লড়াই! হাওড়ায় দেদার বিকোচ্ছে ঘাসফুল-পদ্ম-কাস্তে হাতুড়ি মার্কা সন্দেশ

Share
ভোটের বাজারে মিষ্টির লড়াই! হাওড়ায় দেদার বিকোচ্ছে ঘাসফুল-পদ্ম-কাস্তে হাতুড়ি মার্কা সন্দেশ
ছবি সংগৃহীত
Share

হাওড়া: বাংলায় ভোট মানেই টানটান উত্তেজনা। আর, সেই উত্তেজনায় এবার যোগ হল বাঙালির প্রিয় মিষ্টির স্বাদ! দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতার সংলগ্ন জেলা হাওড়াতেও এখন রাজনীতির রঙ লেগেছে কড়াপাকের সন্দেশে। ভোটের বাজারে নিজেদের প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে কিংবা নিছকই কৌতূহলে সাধারণ মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন হাওড়ার এক নামী মিষ্টির দোকানে। সেখানে থরে থরে সাজানো রয়েছে তৃণমূলের ঘাসফুল, বিজেপির পদ্ম কিংবা বামেদের কাস্তে-হাতুড়ি প্রতীক আঁকা বিশেষ সন্দেশ।

[TECHTARANGA-POST:8496]

হাওড়ার উলুবেড়িয়া এলাকার একটি নামী মিষ্টির দোকানে এই বিশেষ ‘নির্বাচনী মিষ্টি’ নজর কেড়েছে সকলের। দোকানদারের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের সময় তাঁরা নতুন কিছু করার চেষ্টা করেন। এবার বিধানসভা নির্বাচনের আবহে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতীক চিহ্ন দেওয়া ক্ষীরের সন্দেশ তৈরি করা হয়েছে। শুধু তৃণমূল, বিজেপি বা বামফ্রন্টই নয়, তালিকায় জায়গা পেয়েছে কংগ্রেসের ‘হাত’ চিহ্ন দেওয়া মিষ্টিও।

[TECHTARANGA-POST:8494]

দোকান কর্তৃপক্ষের মতে, বাজারে এই মিষ্টিগুলির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। রাজনৈতিক দলের কর্মীরা যেমন বড় অর্ডার দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তেমনই সাধারণ মানুষও বিকেলের জলখাবারে পাতে রাখছেন পছন্দের দলের ছাপ দেওয়া মিষ্টি। কেউ কিনছেন ঘাসফুল, তো কেউ পদ্ম। তবে বিক্রেতাদের মতে, এটি কেবলই ব্যবসার প্রসার নয়, বরং গণতন্ত্রের উৎসবকে একটু মিষ্টিমুখের মাধ্যমে পালন করার একটি প্রয়াসও বটে।


[TECHTARANGA-POST:8491]

সাদা রঙের ছানা ও ক্ষীরের উপর রঙিন ভোজ্য রঙ (Food Grade Color) ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রতিটি দলের নির্বাচনী প্রতীক। দামও রাখা হয়েছে মধ্যবিত্তের সাধ্যের মধ্যেই। সব মিলিয়ে ভোটের বাংলায় রাজনৈতিক তরজার পাশাপাশি মিষ্টির এই লড়াই এখন হাওড়াবাসীর চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *