২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় পুনর্নির্বাচনের কোনও উচ্চবাচ্য না থাকলেও, দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক আবহাওয়া। বুধবারের ভোট শেষ হতে না হতেই এই জেলার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের আর্জি জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে। কমিশন সূত্রে খবর, এই আর্জি খতিয়ে দেখতে আজ, বৃহস্পতিবারই একটি জরুরি বৈঠকে বসছেন নির্বাচন আধিকারিকরা।
[TECHTARANGA-POST:8584]
পরিস্থিতি বিচার করে আগামী ১ মে কয়েকটি বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশ জারি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। জমা পড়া অভিযোগগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩২টি এসেছে ফলতা থেকে, ২৯টি ডায়মন্ড হারবার, ১৩টি মগরাহাট এবং ৩টি বজবজ থেকে। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে ইভিএমে টেপ বা আতর লাগানো থেকে শুরু করে সিসিটিভি ক্যামেরায় রুমাল চাপা দেওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর বিষয়। সূত্রের খবর, এই দাবিগুলির সিংহভাগই এসেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির পক্ষ থেকে।
[TECHTARANGA-POST:8581]
সবচেয়ে বিস্ফোরক অভিযোগটি উঠেছে ডায়মন্ড হারবারের মগরাহাট পশ্চিম থেকে, যেখানে ভোটারের জামার পকেটে স্পাই ক্যামেরা লুকানো ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ভোটার কাকে ভোট দিচ্ছেন তা শনাক্ত করতেই এই হীন কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা ভোটাধিকার হরণের শামিল। কমিশন এই মারাত্মক অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে ইতিমধ্যেই বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে।
[TECHTARANGA-POST:8579]
উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ১৫২টি আসনের একটি বুথেও পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজন পড়েনি। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় পরিস্থিতি ভিন্ন। উত্তরপ্রদেশের দুঁদে আইপিএস তথা ‘সিংহম’ খ্যাত অজয় পাল শর্মা নিজে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ময়দানে থাকলেও, বিজেপির পক্ষ থেকে এই বিপুল সংখ্যক বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও তাৎপর্য তৈরি করেছে।
Leave a comment