০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা “কথা বলতে বলতে গলাটা জড়িয়ে গেল…!” চন্দ্রনাথের নিথর হওয়ার মুহূর্ত ফোনে তাঁর কথা শুনছিলেন বিজেপি বিধায়ক?
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

“কথা বলতে বলতে গলাটা জড়িয়ে গেল…!” চন্দ্রনাথের নিথর হওয়ার মুহূর্ত ফোনে তাঁর কথা শুনছিলেন বিজেপি বিধায়ক?

Share
"কথা বলতে বলতে গলাটা জড়িয়ে গেল...!" চন্দ্রনাথের নিথর হওয়ার মুহূর্ত ফোনে তাঁর কথা শুনছিলেন বিজেপি বিধায়ক?
প্রতীকী ছবি
Share

কলকাতা: নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঠিক আগের মুহূর্তে কী ঘটেছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের সঙ্গে? আততায়ীরা যখন ঘিরে ধরছে, তখন তাঁর ফোনের ওপারে কে ছিলেন? এবার প্রকাশ্যে এল সেই হাড়হিম করা মুহূর্তের বিবরণ। বুধবার রাতে যখন চন্দ্রনাথের উপর অতর্কিত হামলা হয়, তখন তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন শিলিগুড়ির বিদায়ী তথা পুনরায় নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সেই শেষ কথোপকথনের স্মৃতি মনে করে শিউরে উঠছেন তিনি।

[TECHTARANGA-POST:8850]

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। সামনেই প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। সেই সংক্রান্ত সাংগঠনিক আলোচনা করতেই বুধবার রাত দশটা নাগাদ চন্দ্রনাথকে ফোন করেছিলেন শঙ্কর। তিনি জানান, কথা বলতে বলতেই আচমকা চন্দ্রনাথের গলা জড়িয়ে যেতে শুরু করে। শঙ্কর সেই সময় তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, “কী হয়েছে? তোমার শরীর খারাপ লাগছে?” কিন্তু, ফোনের ওপার থেকে আর কোনও উত্তর আসেনি! শোনা গিয়েছিল শুধু কিছু অস্পষ্ট মানুষের গলার আওয়াজ।

[TECHTARANGA-POST:8837]

উদ্বিগ্ন শঙ্কর ঘোষ এরপর বারবার ফোন করলেও প্রথমে কেউ ধরেনি। পরে একজন ফোন ধরে জানান, গুলবিদ্ধ হয়েছেন চন্দ্রনাথ! এই খবর পাওয়ার পরই শঙ্কর ঘোষ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ফোন করেন। সেই সময় শুভেন্দু কলকাতা ছেড়ে কোলাঘাটের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। ফোনে না পেয়ে শঙ্কর ঘোষ দ্রুত মেসেজ পাঠান। প্রিয় ছায়াসঙ্গীর উপর হামলার খবর পাওয়ামাত্রই গাড়ি ঘুরিয়ে মধ্যমগ্রামের হাসপাতালের উদ্দেশে ছোটেন শুভেন্দু।

[TECHTARANGA-POST:8820]

চন্দ্রনাথের জীবনের শেষ মুহূর্তের সাক্ষী শঙ্কর ঘোষের বয়ান তদন্তকারীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ফোনে পাওয়া সেই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের গলার আওয়াজ এবং কথোপকথনের ধারা বিশ্লেষণ করছে পুলিশ। আততায়ীরা কি কথা বলতে বলতেই হানা দিয়েছিল? নাকি চন্দ্রনাথ কাউকে চিনতে পেরেছিলেন? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এখন মরিয়া ‘সিট’।

[TECHTARANGA-POST:8751]

শুভেন্দুর দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী, যিনি কার্যত বিজেপির অন্দরে সমন্বয়ের সেতুবন্ধন করতেন, তাঁর এমন আকস্মিক ও নৃশংস বিদায় কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না দলীয় নেতৃত্ব।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *