০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা রাজ্যপালের নির্দেশে বিধানসভা ভঙ্গ, তবু সোশাল মিডিয়ায় ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতাই!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

রাজ্যপালের নির্দেশে বিধানসভা ভঙ্গ, তবু সোশাল মিডিয়ায় ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতাই!

Share
রাজ্যপালের নির্দেশে বিধানসভা ভঙ্গ, তবু সোশাল মিডিয়ায়  ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতাই!
ছবি: সংগৃহীত
Share

কলকাতা: জনাদেশ মেনে ২০১১ সালে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য পদত্যাগ করেছিলেন হাসিমুখে। কিন্তু, ২০২৬-এর প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাংলার মসনদ থেকে তৃণমূল ক্ষমতাচ্যুত হলেও, চেয়ার ছাড়তে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল আর. এন. রবি বৃহস্পতিবার বিধানসভা ভঙ্গের নির্দেশ দিলেও, সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এখনও নিজেকে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ হিসাবেই পরিচয় দিচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী! যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।

[TECHTARANGA-POST:8885]

নির্বাচনী ফলাফল স্পষ্ট হওয়ার পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করে আসছেন যে – তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে এবং তিনি হারেননি। ফলে, নৈতিক কারণেই তিনি পদত্যাগ করবেন না! এমনকী, ‘রাষ্ট্রপতি শাসন’ জারির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেও ইস্তফাপত্র জমা দেননি তিনি। যদিও শেষ পর্যন্ত বর্তমান সরকারের মেয়াদ ফুরিয়ে আসায় সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করেন রাজ্যপাল।

[TECHTARANGA-POST:8884]

এদিকে, বাস্তবে ক্ষমতা হারালেও ডিজিটাল দুনিয়ায় ছবিটা অন্য। এক্স (পূর্বতন টুইটার) এবং ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রোফাইলের বায়োতে (Bio) এখনও জ্বলজ্বল করছে ‘Chief Minister of West Bengal’ পরিচয়টি! আইনত ও সাংবিধানিকভাবে এই মুহূর্তে তিনি আর মুখ্যমন্ত্রী পদে না থাকলেও, সোশাল মিডিয়ায় তাঁর এই পরিচয় আঁকড়ে ধরে থাকা কেন্দ্র করে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

[TECHTARANGA-POST:8883]

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে ২০১১ সালের তুলনা টানছেন। সেবার ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসানের পর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কোনও অভিযোগ ছাড়াই রাজভবনে গিয়ে ইস্তফা দিয়েছিলেন। কিন্তু, ২০২৬-এ বিজেপিকে বাংলার মানুষ বেছে নিলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ‘অনড়’ মনোভাব নজিরবিহীন এক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

[TECHTARANGA-POST:8881]

রাজ্যপালের নির্দেশের পর এখন নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ এবং প্রশাসনিক পালাবদল কীভাবে সম্পন্ন হয়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য। তবে, মমতার এই ‘ডিজিটাল বিদ্রোহ’ আগামী দিনে রাজভবন বনাম কালীঘাটের সংঘাতকে আরও উস্কে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *