০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা ‘খুঁজে খুঁজে তাড়াব সব অনুপ্রবেশকারীকে’, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করেই হুঙ্কার শাহের!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

‘খুঁজে খুঁজে তাড়াব সব অনুপ্রবেশকারীকে’, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করেই হুঙ্কার শাহের!

Share
‘খুঁজে খুঁজে তাড়াব সব অনুপ্রবেশকারীকে’, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করেই হুঙ্কার শাহের!
ছবি: সংগৃহীত
Share

কলকাতা: বঙ্গ জয়ের পর এবার বড় ধামাকা দিল্লির! রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ‘জাতীয় সুরক্ষা’ নিয়ে বিস্ফোরক বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সাফ জানিয়ে দিলেন, বাংলার মাটিতে আর কোনও ‘ঘুসপেটিয়া’ বা অনুপ্রবেশকারীর ঠাঁই হবে না। আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে দেশ থেকে তাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি।

[TECHTARANGA-POST:8894]

এদিন শুভেন্দু অধিকারীকে পরিষদীয় দলনেতা হিসাবে ঘোষণার পর প্রথম ভাষণেই শাহের নিশানায় ছিল অনুপ্রবেশ সমস্যা। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষকে আমি কথা দিচ্ছি, যে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে আমরা ক্ষমতায় এসেছি, সেখানে অনুপ্রবেশকারীদের কোনও জায়গা নেই। দেশের সুরক্ষার সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না। প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে দেশছাড়া করা হবে।”

[TECHTARANGA-POST:8893]

দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অভিযোগ ছিল, তৃণমূলের মদতেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বাড়বাড়ন্ত হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল অভিযোগ তুলত বিএসএফ-এর ব্যর্থতা নিয়ে। কিন্তু শাহ এদিন স্পষ্ট করে দেন যে, জমি জট কাটিয়ে এবার বাংলার সীমান্ত সম্পূর্ণ সিল করা হবে। শাহের কথায়, “এত দিন জমি সমস্যার দোহাই দিয়ে যা হয়নি, এবার তা হবেই। বাংলার সীমান্ত সিল হবে এবং বাংলাকে অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল হতে দেব না।”

[TECHTARANGA-POST:8892]

বিরোধীরা বারবার অভিযোগ তুলেছে, বিজেপি অনুপ্রবেশ ইস্যুটিকে কেবল হিন্দু-মুসলিম মেরুকরণের জন্য ব্যবহার করে। এর পাল্টা জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, “বিজেপি অনুপ্রবেশকারীদের কথা বলে মেরুকরণের জন্য নয়, বরং জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থে। এই ইস্যুতে কোনও আপস করার প্রশ্নই ওঠে না।”

[TECHTARANGA-POST:8890]

শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন বিজেপি সরকার শপথ নেওয়ার আগেই অমিত শাহের এই কড়া বার্তা স্পষ্ট করে দিল, আগামী পাঁচ বছর রাজ্যের প্রশাসনিক কৌশলে ‘অনুপ্রবেশ দমন’ এবং ‘সীমান্ত রক্ষা’ হতে চলেছে সবথেকে বড় অগ্রাধিকার।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *