০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা রাস্তায় কি এবার ‘অড-ইভেন’ মোড চালু? মোদীর বার্তার পর ব্যক্তিগত গাড়িতে রাশ টানার প্রস্তাব এল নবান্নে!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

রাস্তায় কি এবার ‘অড-ইভেন’ মোড চালু? মোদীর বার্তার পর ব্যক্তিগত গাড়িতে রাশ টানার প্রস্তাব এল নবান্নে!

Share
রাস্তায় কি এবার ‘অড-ইভেন’ মোড চালু? মোদীর বার্তার পর ব্যক্তিগত গাড়িতে রাশ টানার প্রস্তাব এল নবান্নে!
প্রতীকী ছবি
Share

কলকাতা: জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলায় দেশবাসীকে সাশ্রয় করার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েই এবার রাজ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহারে লাগাম টানার জোরালো দাবি তুলল বাস সংগঠনগুলি। দিল্লির ধাঁচে কলকাতায় ‘অড অ্যান্ড ইভেন’ (জোড়-বিজোড়) নিয়ম চালু করার পাশাপাশি ‘পার্ক অ্যান্ড রাইড’ ব্যবস্থারও প্রস্তাব দিয়েছে জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটস।

[TECHTARANGA-POST:8987]

সংগঠনের সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ডিজেল ও পেট্রলের অপচয় কমানো অত্যন্ত জরুরি। বাস সংগঠনগুলির যুক্তি, একটি গণপরিবহণে (যেমন বাস বা মেট্রো) একসঙ্গে অনেক মানুষ যাতায়াত করতে পারেন। অথচ ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি বা বাইকের সংখ্যা বিপুল হওয়ায় জ্বালানির খরচ বাড়ছে কয়েক গুণ। যদি একদিন জোড় সংখ্যার গাড়ি এবং পরের দিন বিজোড় সংখ্যার গাড়ি রাস্তায় নামার নিয়ম চালু হয়, তবে জ্বালানির সাশ্রয় হবে এবং মানুষ গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহিত হবে।

[TECHTARANGA-POST:8973]

এদিকে, শনিবারই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এক সময় তিনি রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী হিসাবেও দায়িত্ব সামলেছেন। তাই পরিবহণব্যবস্থার খুঁটিনাটি তাঁর নখদর্পণে। বাস সংগঠনগুলির আশা, জ্বালানি সঙ্কটের এই আবহে নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ উদ্যোগী হয়ে এই প্রস্তাবগুলি বিবেচনা করবেন।

[TECHTARANGA-POST:8976]

বাস সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তা হল — ‘পার্ক অ্যান্ড রাইড’। এই ব্যবস্থায় শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় বা উপকণ্ঠে ব্যক্তিগত গাড়ি পার্ক করে রাখতে হবে। সেখান থেকে বাস, মেট্রো বা অন্য সরকারি যানে চেপে মূল শহরে ঢুকতে হবে। এর ফলে শহরের যানজট কমবে এবং জ্বালানি সাশ্রয় হবে বলে দাবি করা হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:8937]

সংগঠনের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে, জ্বালানি সঙ্কটে যদি গণপরিবহণব্যবস্থা ব্যাহত হয়, তবে তার প্রভাব দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উপর পড়বে। তাই, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উচিত দ্রুত আলোচনা করে একটি বাস্তবসম্মত বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণ করা। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রীর সাশ্রয়ের ডাক আর বাস সংগঠনের এই প্রস্তাবের পর নবান্ন কী পদক্ষেপ করে!

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *