০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দিল্লি অদম্য জেদের সামনে পরাজিত প্রতিবন্ধকতা! সাইকেলে চড়েই চারদশক সেবা, রাষ্ট্রপতির হাতে পুরস্কৃত জলপাইগুড়ির গীতা
দিল্লিপশ্চিমবঙ্গস্বাস্থ্য

অদম্য জেদের সামনে পরাজিত প্রতিবন্ধকতা! সাইকেলে চড়েই চারদশক সেবা, রাষ্ট্রপতির হাতে পুরস্কৃত জলপাইগুড়ির গীতা

Share
অদম্য জেদের সামনে পরাজিত প্রতিবন্ধকতা! সাইকেলে চড়েই চারদশক সেবা, রাষ্ট্রপতির হাতে পুরস্কৃত জলপাইগুড়ির গীতা
ছবি: সংগৃহীত
Share

জলপাইগুড়ি ও নয়াদিল্লি: ১২ মে আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে সারা দেশের নজর কাড়লেন জলপাইগুড়ির গীতা কর্মকার। অদম্য নিষ্ঠা আর সেবার স্বীকৃতি হিসাবে মঙ্গলবার দিল্লির দরবারে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে গ্রহণ করলেন দেশের নার্সিং জগতের সর্বোচ্চ সম্মান ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গল’ পুরস্কার। তাঁর এই সাফল্যে খুশির জোয়ার জলপাইগুড়ি জেলা স্বাস্থ্য দফতরে।

[TECHTARANGA-POST:9038]

গীতা কর্মকার জলপাইগুড়ি শহরের বাসিন্দা। ৬০ বছর বয়সী এই প্রাক্তন এএনএম নার্স শারীরিক দিক থেকে ৪০ শতাংশ বিশেষভাবে সক্ষম। কিন্তু, শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে কোনও দিন তাঁর কর্মজীবনের বাধা হতে দেননি তিনি। দীর্ঘ চার দশক ধরে জলপাইগুড়ির বেলাকোবা গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হেলথ সুপারভাইজার হিসাবে কর্মরত ছিলেন তিনি। গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে সাইকেলই ছিল তাঁর প্রধান ভরসা। প্রতিকূল পরিস্থিতি হোক বা শারীরিক কষ্ট — কোনও কিছুই তাঁকে মানুষের দুয়ারে পৌঁছে যাওয়া থেকে আটকাতে পারেনি।

[TECHTARANGA-POST:9026]

চলতি বছরই কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়েছেন গীতা। আর, সেই অবসরের ঠিক পরই এল এই রাজকীয় সম্মান। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক অসীম হালদার অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে বলেন, “আজ আমাদের গর্বের দিন। গীতাদেবী অত্যন্ত পরিশ্রমী কর্মী ছিলেন। অবসরের পরই রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পাওয়া এই সম্মান তাঁর দীর্ঘ লড়াইয়ের যোগ্য পাওনা।”

[TECHTARANGA-POST:9020]

উল্লেখ্য, জলপাইগুড়ি জেলা থেকে এই সম্মান প্রাপ্তি এবারই প্রথম নয়। ২০২৩ সালে ধূপগুড়ির অবিস্মিতা ঘোষ, তার আগে গৌরী লামা, ২০১৯ সালে অরূপা সাহা এবং ২০২০ সালে সুনীতা দত্তরাও এই সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন। গীতা কর্মকারের নাম এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল।

[TECHTARANGA-POST:9011]

১৯৭৩ সাল থেকে ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক নার্সিং পেশায় অসামান্য অবদানের জন্য ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গলের স্মরণে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে। গীতার এই জয় প্রমাণ করে দিল, মানুষের সেবা করার অদম্য ইচ্ছা থাকলে কোনও শারীরিক বাধাই বড় নয়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *