০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ হাওড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা মিথিলা এক্সপ্রেসে আগুন! কালো ধোঁয়ায় তীব্র আতঙ্ক, নামানো হল স্নিফার ডগ!
পশ্চিমবঙ্গ

হাওড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা মিথিলা এক্সপ্রেসে আগুন! কালো ধোঁয়ায় তীব্র আতঙ্ক, নামানো হল স্নিফার ডগ!

Share
হাওড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা মিথিলা এক্সপ্রেসে আগুন! কালো ধোঁয়ায় তীব্র আতঙ্ক, নামানো হল স্নিফার ডগ!
ছবি: সংগৃহীত
Share

হাওড়া: ব্যস্ত সময়ে হাওড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আচমকা অগ্নিকাণ্ডের জল্পনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়াল যাত্রীদের মধ্যে। মঙ্গলবার হাওড়া স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা ১৩০২১ ডাউন মিথিলা এক্সপ্রেসের একটি জেনারেল কামরা থেকে আচমকা গলগল করে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। ধোঁয়া দেখেই ট্রেনের ভিতর থাকা যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি ও চিৎকার শুরু হয়ে যায়। প্রাণভয়ে ট্রেন থেকে হুড়মুড়িয়ে নেমে আসেন সাধারণ মানুষ। খবর পেয়েই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আরপিএফ এবং রেল পুলিশ।

[TECHTARANGA-POST:9278]

রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার ডাউন মিথিলা এক্সপ্রেসের জেনারেল কম্পার্টমেন্টের একটি শৌচাগার থেকে প্রথম ধোঁয়া বেরোতে দেখেন যাত্রীরা। মুহূর্তের মধ্যে সেই ধোঁয়া কামরার ভিতর ছড়িয়ে পড়তেই স্টেশন চত্বরে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। শুধু ওই কামরাই নয়, ট্রেনের অন্যান্য কামরার যাত্রীরাও আতঙ্কে তড়িঘড়ি প্ল্যাটফর্মে নেমে আসেন। ফলে স্টেশন চত্বরে এক বিশাল ভিড় জমে যায়।

[TECHTARANGA-POST:9177]

রেল আধিকারিক ও নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াতে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে তৎক্ষণাৎ ওই আক্রান্ত জেনারেল কামরাটিকে ট্রেনের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন বা কেটে আলাদা করে দেওয়া হয়।

পরিস্থিতি কতটা গুরুতর ছিল, তা স্পষ্ট হয় যখন ট্রেনের ভিতর তল্লাশির জন্য নিয়ে আসা হয় বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্নিফার ডগ (Sniffer Dog)। এর পাশাপাশি, কোনও নাশকতার ছক ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় ফরেনসিক টিমও। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই নমুনা সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করেছেন। নিরাপত্তারক্ষীরা ট্রেনের প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলছেন।

[TECHTARANGA-POST:9233]

স্টেশনজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালেও বড়সড় দুর্ঘটনার খবর অস্বীকার করেছে পূর্ব রেল। হাওড়ার ডিসিএম তথা পিআরও হরিনারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় পরিস্থিতি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, “ট্রেনে কোনও বড়সড় আগুন লাগেনি। মূলত কামরার ভিতরের একটা নির্দিষ্ট অংশ থেকে সামান্য ধোঁয়া বেরোতে দেখা গিয়েছিল। রেলের কর্মীরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সেই ধোঁয়া নিভিয়ে ফেলেছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে কামরার ভিতরের ওই নির্দিষ্ট অংশটিকে কেটে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।”

[TECHTARANGA-POST:9176]

রেল প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার আশ্বাস দেওয়া হলেও, ঠিক কী কারণে শৌচাগারের ভেতর থেকে ওই ধোঁয়া বেরোল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শর্ট সার্কিট নাকি যাত্রীদের কোনও অসাবধানতা — তা জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালাচ্ছে রেল পুলিশ।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *