০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দিল্লি কাশ্মীর ও লাদাখ নিয়ে বেজিং-ইসলামাবাদের খোঁচা, কড়া ভাষায় সার্বভৌমত্ব মনে করাল ভারত
দিল্লিবিশ্বভারতবর্ষ

কাশ্মীর ও লাদাখ নিয়ে বেজিং-ইসলামাবাদের খোঁচা, কড়া ভাষায় সার্বভৌমত্ব মনে করাল ভারত

Share
কাশ্মীর ও লাদাখ নিয়ে বেজিং-ইসলামাবাদের খোঁচা, কড়া ভাষায় সার্বভৌমত্ব মনে করাল ভারত
AI GENERATED IMAGE
Share

নয়াদিল্লি: আন্তর্জাতিক মঞ্চে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ প্রসঙ্গে চিন ও পাকিস্তানের যৌথ অবস্থানকে এবার অত্যন্ত কড়া ভাষায় ধাক্কা দিল ভারত। সাউথ ব্লকের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের অভ্যন্তরীণ ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফলে এই বিষয়ে অন্য কোনও রাষ্ট্রের অনধিকার চর্চা বা মন্তব্য করার কোনও এক্তিয়ার নেই।

[TECHTARANGA-POST:9530]

সম্প্রতি বেজিং সফরে গিয়ে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও চিনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সারেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সেই বৈঠকের পর দুই প্রতিবেশী দেশ একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে, যেখানে কাশ্মীরের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি তথাকথিত ‘চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর’ (সিপিইসি) এবং দুই দেশের জলবণ্টন সহযোগিতার প্রসঙ্গ তোলা হয়।

[TECHTARANGA-POST:9521]

যৌথ বিবৃতির এই অংশটি সামনে আসতেই তীব্র আপত্তি জানায় ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কাশ্মীর ও লাদাখ নিয়ে ভারতের অবস্থান বরাবরই অত্যন্ত স্পষ্ট এবং তা আন্তর্জাতিক মহলে সুবিদিত। এই ভূখণ্ড অতীতেও ভারতের ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও ভারতেরই থাকবে।”

একইসঙ্গে, বিতর্কিত অর্থনৈতিক করিডর নিয়ে বেজিং ও ইসলামাবাদকে কাঠগড়ায় তুলেছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই প্রকল্পের একটি বড় অংশ ভারতের সার্বভৌম এলাকার ওপর দিয়ে গিয়েছে। ফলে পাকিস্তানের বেআইনি দখলদারি স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য অন্য কোনও দেশের এমন পদক্ষেপ ভারত কোনওভাবেই বরদাস্ত করবে না।

[TECHTARANGA-POST:9498]

এখানেই শেষ নয়, ১৯৬৩ সালের চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তিকে ভারত যে কোনওদিন স্বীকৃতি দেয়নি, তাও পুনর্ব্যক্ত করেছে নয়াদিল্লি। দুই দেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কথা মনে করিয়ে দিয়ে ভারতের বক্তব্য, যে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি কোনও সীমান্তই নেই, সেখানে আন্তঃসীমান্ত জলসম্পদ সহযোগিতার দাবি অবান্তর। এই বিষয়ে ভারতের আপত্তির কথা দুই দেশকেই আগেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *