০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ বীরভূমে ‘কেষ্ট-কাজল’ জমানায় ইতি? অনুব্রত-কাজল শেখের অতিরিক্ত নিরাপত্তা ছাঁটল শুভেন্দুর সরকার!
পশ্চিমবঙ্গ

বীরভূমে ‘কেষ্ট-কাজল’ জমানায় ইতি? অনুব্রত-কাজল শেখের অতিরিক্ত নিরাপত্তা ছাঁটল শুভেন্দুর সরকার!

Share
বীরভূমে ‘কেষ্ট-কাজল’ জমানায় ইতি? অনুব্রত-কাজল শেখের অতিরিক্ত নিরাপত্তা ছাঁটল শুভেন্দুর সরকার!
প্রতীকী ছবি
Share

বোলপুর: বাংলায় মসনদ বদলের পর এবার বীরভূমের জেলা রাজনীতিতে তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের দাপটে বড়সড় কোপ বসাল প্রশাসন। কেষ্ট ওরফে অনুব্রত মণ্ডল এবং নানুরের দাপুটে নেতা কাজল শেখ থেকে শুরু করে বোলপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ — বীরভূমের এই তিন হেভিওয়েট নেতারই নিরাপত্তা এক ধাক্কায় বহুলাংশে কমিয়ে দিল জেলা পুলিশ প্রশাসন। মঙ্গলবার রাত থেকেই তাঁদের ঘিরে থাকা অতিরিক্ত পাইলট কার, এসকর্ট এবং বাড়ির বাইরের পুলিশি প্রহরা তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:9539]

বীরভূমের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই শেষ কথা বলতেন অনুব্রত মণ্ডল। বোলপুরের নিচুপট্টি এলাকায় তাঁর বাড়ির সুরক্ষায় ২৪ ঘণ্টা মোতায়েন থাকত বিশাল পুলিশবাহিনী। দলীয় সভা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত যাতায়াত — সর্বত্রই অনুব্রতকে ঘিরে থাকত বিশেষ নিরাপত্তাবলয়। তবে, নবান্নে ক্ষমতার হাতবদলের পরই বদলে গেল চেনা ছবি। নতুন সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, পাইলট এবং এসকর্ট ভ্যান তো দূর অস্ত, অনুব্রতের ব্যক্তিগত সুরক্ষায় এখন থেকে থাকবেন মাত্র একজন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী।

[TECHTARANGA-POST:9538]

একইভাবে হাসনের বিধায়ক কাজল শেখের আকাশছোঁয়া নিরাপত্তাতেও কাঁচি চালিয়েছে প্রশাসন। বীরভূম জেলা পরিষদের এই নেতার সুরক্ষায় এখন থেকে মোতায়েন থাকবেন মোটে তিনজন সশস্ত্র পুলিশকর্মী। অন্যদিকে, প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহের ক্ষেত্রেও একই পদক্ষেপ করা হয়েছে। মন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর বাসভবনে যে অতিরিক্ত পুলিশের বন্দোবস্ত ছিল, তা পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে সাধারণ বিধায়ক হিসেবে তাঁর সঙ্গে কেবল দু’জন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী থাকবেন।

[TECHTARANGA-POST:9537]

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নবান্নের কুর্সিতে বসার পরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন, কোনও রাজনীতিবিদের জীবনের প্রকৃত ঝুঁকি না থাকলে কেবল সামাজিক প্রভাব বা দাপট প্রদর্শনের জন্য সরকারি কোষাগারের টাকা খরচ করে কাউকে অপ্রয়োজনীয় ভিআইপি নিরাপত্তা দেওয়া হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর সেই কড়া নির্দেশের পরই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে তৃণমূল নেতাদের নিরাপত্তা পুনর্বিবেচনার কাজ। যার প্রথম বড় কোপটি পড়ল রাঙামাটির এই তিন প্রভাবশালী নেতার ওপর। যদিও এই আকস্মিক নিরাপত্তা ছাঁটাই নিয়ে তৃণমূলের এই তিন নেতার কারও কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *