০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা রাজ্য রাজনীতিতে মহানাটকীয় মোড়! বিধানসভায় বহিষ্কৃত ঋতব্রত-সন্দীপন, দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক নিয়ে বড়সড় ভাঙনের মুখে শাসকদল?
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

রাজ্য রাজনীতিতে মহানাটকীয় মোড়! বিধানসভায় বহিষ্কৃত ঋতব্রত-সন্দীপন, দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক নিয়ে বড়সড় ভাঙনের মুখে শাসকদল?

Share
রাজ্য রাজনীতিতে মহানাটকীয় মোড়! বিধানসভায় বহিষ্কৃত ঋতব্রত-সন্দীপন, দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক নিয়ে বড়সড় ভাঙনের মুখে শাসকদল?
ছবি--প্রতীকী
Share

কলকাতা: বুধবার সকালে রাজ্য বিধানসভা চত্বরে যা ঘটল, তা একপ্রকার নজিরবিহীন এবং কল্পনাতীত। তীব্র রাজনৈতিক ডামাডোলের মাঝেই আজ সকালে আচমকা বিধানসভায় এসে হাজির হন তৃণমূল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত নেতা তথা বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু নাটক এখানেই শেষ নয়। ঋতব্রত পা রাখার কিছুক্ষণের মধ্যেই যেন ম্যাজিকের মতো একে একে বিধানসভায় পৌঁছতে শুরু করেন তৃণমূলের একঝাঁক হেভিওয়েট বিধায়ক। তাঁদের সঙ্গেই বিধানসভায় প্রবেশ করেন ঋতব্রতের জোড়া বহিষ্কৃত সতীর্থ সন্দীপন সাহাও। সাতসকালে দুই বহিষ্কৃত নেতার হাত ধরে শাসক শিবিরের বিধায়কদের এই আকস্মিক জমায়েত ঘিরে এখন রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে কি ক্ষমতার অলিন্দে আরও বড় কোনও পটপরিবর্তন কিংবা শাসকদলে এক ঐতিহাসিক ভাঙন আসন্ন?

[TECHTARANGA-POST:9708]

বিধানসভার অন্দরের একটি অত্যন্ত বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় একা আসেননি, তাঁর হাতে রয়েছে শাসকদলের বিধায়কদের সই সংবলিত একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গোপন চিঠি। যদিও এই চিঠির সত্যতা বা সেখানে ঠিক কতজন বিধায়কের স্বাক্ষর রয়েছে, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিলমোহর মেলেনি। তবে বিধানসভায় ঢোকার মুখেই বিস্ফোরক দাবি করেছেন আর এক বহিষ্কৃত বিধায়ক সন্দীপন সাহা। তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে স্পষ্ট দাবি করেন, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে তাঁদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। দলত্যাগ বিরোধী আইন এড়াতে এই ‘দুই-তৃতীয়াংশ’ সংখ্যাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, যা বর্তমান শাসক শিবিরের ঘুম উড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

[TECHTARANGA-POST:9707]

ঋতব্রত ও সন্দীপনের এই ঝোড়ো এন্ট্রি এবং বৈঠকের খবরের মাঝেই বিধানসভায় লাইন দিয়ে ঢুকতে দেখা গেছে প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, জাভেদ খান এবং রথীন ঘোষের মতো একাধিক হেভিওয়েট জোড়াফুল বিধায়কদের। তবে জল্পনা বাড়লেও ক্যামেরার সামনে এখনই নিজেদের তাস খুলতে নারাজ তাঁরা। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হাজির হওয়া বিধায়কদের কেউ কেউ দাবি করেছেন যে তাঁরা নিতান্তই ব্যক্তিগত কাজে বিধানসভায় এসেছেন। আবার কারও মতে, জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিধানসভায় আসা তাঁদের দৈনন্দিন কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে। তবে রাজনৈতিক মহল বলছে, মুখে যা-ই বলা হোক না কেন, ক্ষণিকের মধ্যেই যে আসল সত্যিটা এবং পর্দার পিছনের আসল খেলাটা খোলসা হতে চলেছে, তা কার্যত পরিষ্কার। এখন দেখার, এই হাই-ভোল্টেজ বৈঠকের পর বাংলার রাজনীতি কোন নতুন মোড় নেয়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *