০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা ‘পিসি-ভাইপো ডিপোর জমি বেচে দিয়েছে!’ চেয়ারে বসেই হুঙ্কার অর্জুনের, মনে করালেন বাম আমলের সুভাষ চক্রবর্তীকে
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গ

‘পিসি-ভাইপো ডিপোর জমি বেচে দিয়েছে!’ চেয়ারে বসেই হুঙ্কার অর্জুনের, মনে করালেন বাম আমলের সুভাষ চক্রবর্তীকে

Share
‘পিসি-ভাইপো ডিপোর জমি বেচে দিয়েছে!’ চেয়ারে বসেই হুঙ্কার অর্জুনের, মনে করালেন বাম আমলের সুভাষ চক্রবর্তীকে
চেয়ারে বসেই হুঙ্কার অর্জুনের। ছবি-সংগৃহীত
Share

কলকাতা: একটা নয়, একেবারে দুটো গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রিত্বের ভার কাঁধে তুলে নিয়েছেন তিনি। আর দায়িত্ব পেয়েই বুধবার কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়লেন রাজ্যের নতুন পরিবহণ ও শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং। এদিন দুটি দফতরেই পরপর পরিদর্শনে যান তিনি। পরিবহণ দফতরে পা রেখেই আধিকারিক ও কর্তাদের সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠকে বসেন মন্ত্রী। সৌজন্য বিনিময়ের পর্ব মিটতেই শুরু হয় কড়া জিজ্ঞাসাবাদ। কর্তাদের সামনে পেয়েই একের পর এক প্রশ্নের বাণ ছুড়ে দেন অর্জুন। তাঁর প্রথম প্রশ্নই ছিল— রাস্তায় সরকারি বাস দেখা যায় না কেন? ঠিক কতগুলো বাস প্রতিদিন রাস্তায় চলে? সাধারণ মানুষ কেন বাসের জন্য হাহাকার করছে? এমনকি শহরের ঐতিহ্যবাহী ট্রাম এখন চলছে কি না, তাও জানতে চান তিনি। পরিবহণ দফতরের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন নতুন মন্ত্রী।

দফতরের কাজ বুঝে নেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক দাবি করেন অর্জুন সিং। তিনি সরাসরি তোপ দেগে বলেন, “পরিবহণ দফতরের বিভিন্ন ডিপোর জমি বেচে দিয়েছে পিসি-ভাইপো। সব ফাইলের তদন্ত হবে এবং দ্রুত রিপোর্ট জমা পড়বে।” তাঁর স্পষ্ট বার্তা, সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে রাস্তায় সরকারি বাসের সংখ্যা বাড়ানোই হবে তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার। বিশেষ করে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাসের ওপর জোর দেওয়া হবে। অন্যদিকে, নিজের পুরোনো অভিজ্ঞতা টেনে শ্রম দফতর নিয়েও মুখ খোলেন তিনি। অর্জুন বলেন, “শ্রম দফতরটা দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলিত। আমি নিজে শ্রমিক ইউনিয়ন করে উঠে এসেছি, তাই শ্রমিকদের কষ্টটা বুঝি। এতদিন এই দফতরের মর্ম কেউ বুঝতেই পারেনি। এখানে অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে এবং আস্তে আস্তে সব সমস্যার সমাধান করা হবে।”

পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব পেয়েই এদিন অর্জুন সিংয়ের স্মৃতির সরণিতে ভেসে ওঠেন বাম জমানার দাপুটে পরিবহণমন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী। অর্জুন মনে করিয়ে দেন, “সুভাষ চক্রবর্তী যখন পরিবহণমন্ত্রী ছিলেন, তখন আমি তাঁকে কিছু প্রশ্ন করেছিলাম। আজ নিজেই সেই দফতরে এসেছি। এবার ফাইল খুঁজে দেখব সেই বিষয়গুলোর কী অবস্থা।” ভোটপ্রচারে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পাওয়া বাসের অভাবের অভিযোগকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর মতে, সরকারি বাসের চালক ও শ্রমিকদের নানাবিধ সমস্যা যেমন রয়েছে, তেমনই তেল চুরির মতো বড়সড় কেলেঙ্কারিও লুকিয়ে রয়েছে। এই সমস্ত রুটে নজরদারি চালিয়ে একে একে সব সমস্যার জট খোলার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি মহিলাদের জন্য সরকারের ‘ফ্রি বাস পরিষেবা’ প্রকল্পের ভূয়সী প্রশংসা করে একে একটি অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ বলে উল্লেখ করেন নতুন পরিবহণমন্ত্রী।

[TECHTARANGA-POST:9857]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *