০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দিল্লি তৃণমূল-ডিএমকে বিয়োগের জল্পনা, তবুও ‘ইন্ডিয়া’ জোট নিয়ে কেন এত আত্মবিশ্বাসী রাহুল গান্ধী?
দিল্লিভারতবর্ষ

তৃণমূল-ডিএমকে বিয়োগের জল্পনা, তবুও ‘ইন্ডিয়া’ জোট নিয়ে কেন এত আত্মবিশ্বাসী রাহুল গান্ধী?

Share
তৃণমূল-ডিএমকে বিয়োগের জল্পনা, তবুও ‘ইন্ডিয়া’ জোট নিয়ে কেন এত আত্মবিশ্বাসী রাহুল গান্ধী?
AI GENERATED IMAGE
Share

নয়াদিল্লি: ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে আটকে দেওয়ার পর এবার আরও বড় স্বপ্ন দেখছেন রাহুল গান্ধী। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জটিলতা এবং ‘ইন্ডিয়া’ জোটের একের পর এক শরিকি ধাক্কা সত্ত্বেও লোকসভার বিরোধী দলনেতার সাফ দাবি— ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচন ইতিমধ্যেই জিতে নিয়েছে বিরোধী জোট। রাহুলের এই মন্তব্য ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। একদিকে যখন জোটে ভাঙনের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে, ঠিক তখনই রাহুলের এমন ‘ওভার কনফিডেন্স’ কি কেবলই রাজনৈতিক কৌশল নাকি এর গভীরে লুকিয়ে আছে অন্য কোনও সমীকরণ?

[TECHTARANGA-POST:9942]

গত ৮ জুন দিল্লিতে বসেছিল ইন্ডিয়া জোটের হাইভোল্টেজ বৈঠক। সেই বৈঠকের রেশ টেনেই নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে রাহুল গান্ধী অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে এক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর কথায়, “আবারও মনে করিয়ে দিতে চাই, ২০২৪ সালের নির্বাচনে আমরা মোটেই হারিনি, এবং ২০২৯ সালের আগামী নির্বাচন ইতিমধ্যেই জিতে গিয়েছি।” রাহুল মনে করেন, দেশের মানুষ এখন বুঝতে পারছে যে ভারতের আত্মাকে বিপন্ন করা হচ্ছে। গণতান্ত্রিক সংস্থাগুলোকে বিজেপি কব্জা করছে এবং মানুষের কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করা হচ্ছে— আর এই প্রতিরোধের আগুনেই আগামী নির্বাচনে ধুয়ে মুছে যাবে শাসক দল। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, লড়াই এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে এবং ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মাধ্যমেই জয় নিশ্চিত।

‘যুবরাজ’কে বাদ দিলেই মমতাই নেত্রী, নচেৎ নতুন দল!

তবে রাহুলের এই ‘জয় নিশ্চিত’ তত্ত্বের বিপরীতে বাস্তবের ছবিটা কিন্তু বেশ ধূসর। গত ৮ জুনের বৈঠকেই চওড়া হয়েছে ফাটল। জানা গিয়েছে, অন্যতম প্রধান শরিক তৃণমূল কংগ্রেসের একঝাঁক সদস্য এনডিএ-তে যোগ দেওয়ার তোড়জোড় চালাচ্ছেন। এমনকি দক্ষিণ ভারতের দাপুটে শরিক ডিএমকেও (DMK) ওই বৈঠকে গরহাজির ছিল। 

[TECHTARANGA-POST:9901]

খোদ কংগ্রেসের অন্দরেও তৈরি হয়েছে মতভেদ। শরদ পাওয়ারের এনসিপি বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল যদি কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যেতে চায়, তবে দলের একটি বড় অংশ তাতে আপত্তি জানাচ্ছে। এর পাশাপাশি সিপিএম নেতা পিনারাই বিজয়নকে নিয়ে রাহুলের সাম্প্রতিক মন্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বাম দলগুলোর সঙ্গেও দূরত্ব বাড়ছে কংগ্রেসের। শরিকদের এই ছেড়ে যাওয়ার হিড়িক আর বামেদের সঙ্গে তিক্ততার মাঝে দাঁড়িয়ে রাহুল কীভাবে ২০২৯ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জোট যখন ‘ভঙ্গুর’, তখন রাহুলের এই হুঙ্কার কেবলই কি কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার চেষ্টা? উত্তর দেবে সময়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *