০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ পুরসভার মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী, সামনের সারিতে মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী! শুরু রাজনৈতিক চর্চা
পশ্চিমবঙ্গ

পুরসভার মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী, সামনের সারিতে মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী! শুরু রাজনৈতিক চর্চা

Share
পুরসভার মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী, সামনের সারিতে মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী! শুরু রাজনৈতিক চর্চা
ছবি সংগৃহীত
Share

কলকাতা পুরসভার এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতির পাশাপাশি নজর কেড়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৌদি কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

সোমবার কলকাতা পুরসভার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তাঁকে সামনের সারিতে দেখা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে কাজরী বললেন, ‘‘কাউন্সিলর হিসেবে যেটুকু সময়ে মেয়াদ বাকি আছে, সেই সময়টায় কাজ যাতে ভালোভাবে হয়, তার জন্য আমাদের ডাকা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের ডেকেছেন, ভালো লাগছে।” 

[TECHTARANGA-POST:9971]

যদিও কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিকে ঘিরে কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তৃণমূলের অন্দরে চলা টানাপোড়েনের আবহে ঘটনাটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

উল্লেখ্য, কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পারিবারিক পরিসরের পরিচিত মুখ। অতীতে কলকাতা পুরসভার নির্বাচনেও তাঁর নাম রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় এসেছিল। ফলে এই অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল বাড়িয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:9970]

শুধু কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন, কলকাতা পুরসভায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম সরকারি কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক কাউন্সিলরও। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দেবাশিস কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, অসীম বসু এবং জুঁই বিশ্বাসের মতো জনপ্রতিনিধিরা। উপস্থিত কাউন্সিলরদের বক্তব্য, এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত পরিকল্পনা ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনা শোনা এবং কাজের বিষয়ে আলোচনা করা। তাঁদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও জনস্বার্থমূলক কর্মসূচি, এর সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও বার্তা বা সমীকরণের সম্পর্ক নেই।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *