০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা অর্থনীতি কাকলিদের নতুন ‘ভরসা’ এই দম্পতি! ব্যাংকে কত টাকা, কোথায় অফিস? এনসিপিআই-এর সম্পত্তির খতিয়ান দেখে চোখ কপালে রাজনৈতিক মহলের!
অর্থনীতিকলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

কাকলিদের নতুন ‘ভরসা’ এই দম্পতি! ব্যাংকে কত টাকা, কোথায় অফিস? এনসিপিআই-এর সম্পত্তির খতিয়ান দেখে চোখ কপালে রাজনৈতিক মহলের!

Share
কাকলিদের নতুন ‘ভরসা’ এই দম্পতি! ব্যাংকে কত টাকা, কোথায় অফিস? এনসিপিআই-এর সম্পত্তির খতিয়ান দেখে চোখ কপালে রাজনৈতিক মহলের!
ছবি সংগৃহীত
Share

হাওড়া ও কলকাতা: তৃণমূলের ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের নয়া আশ্রয়স্থল ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ বা এনসিপিআই-কে ঘিরে নিত্যনতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। হাওড়ার সাঁক্রাইলের হাটগাছা বাণীপুরের মাটির পথ ধরে কিছুটা এগোলে চোখে পড়ে পাঁচিলঘেরা সবুজ রঙের একটি দোতলা বাড়ি, যার নাম ‘জাগো বিশ্ব’। এই বাড়ির বড় লোহার দরজার দু’পাশে লেখা রয়েছে দুই বাসিন্দার নাম— উত্তীয় কুণ্ডু ও শিউলি কুণ্ডু। 

হরমুজ খুললে স্বস্তি পাবে বিশ্ব অর্থনীতি

উত্তীয়বাবু স্থানীয় একটি সংবাদপত্রের প্রকাশক এবং তাঁর স্ত্রী শিউলিদেবী কলকাতা হাই কোর্টের আইনজীবী। আপাতদৃষ্টিতে শান্ত এই দম্পতির বাড়িটিই এখন রাজ্য রাজনীতির সবচেয়ে বড় উপকেন্দ্র, কারণ এটিই হলো কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের ভরসা করা সেই এনসিপিআই-এর আসল সদর দপ্তর। অথচ স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই বাড়িটিতে আগে একটি অনাথ শিশুদের হোম চলত, যা বছর সাতেক আগে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ২০২৩ সালে এই রাজনৈতিক দলটির অফিস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে সেখানে কিছু মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাজ করেন এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কোনও চিহ্নই সেখানে সচরাচর দেখা যায় না।

[TECHTARANGA-POST:9976]

আচমকা লাইমলাইটে আসা এই দলটির সম্পত্তির পরিমাণ এবং রাজনৈতিক ইতিহাসও অত্যন্ত চমকপ্রদ। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, অস্তিত্বহীন এই দলটির তহবিলে মাত্র ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা অনুদান রয়েছে। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই বাড়িরই এক আবাসিক ভোটে দাঁড়ালেও কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি। এমনকি ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে লড়েও খাতা খুলতে পারেনি এই দল। বর্তমানে দলের সভানেত্রী পদ থেকে শিউলি কুণ্ডু পদত্যাগ করলেও তাঁর স্বামী উত্তীয় কুণ্ডু এখনও কোষাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন। তবে সবচেয়ে বড় টুইস্টটি দিয়েছেন দলের বর্তমান সর্বভারতীয় সভাপতি শান্তনু দে, যিনি নিজে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা। 

[TECHTARANGA-POST:9969]

তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, “আমি একজন বিজেপি সমর্থক, তাই দেশের স্বার্থে যা করার তাই করব।” রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের এক চরম ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ রাতারাতি তৃণমূলের ২০ জন সাংসদকে নিজেদের পালে টেনে নিয়েছে এই এনসিপিআই। দলটির সভাপতি মোদির নীতিতে বিশ্বাসী হওয়ায় এবং ত্রিপুরার অন্য হেভিওয়েট নেতারা এই যোগদানকে স্বাগত জানানোয়, আগামী দিনে দিল্লির সংসদে এই দলটিকে হাতিয়ার করে বিজেপি কোনও নতুন চাল চালে কি না, সেটাই এখন দেখার।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *