০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home দিল্লি ভারতে নিষিদ্ধ টেলিগ্রাম! NEET পরীক্ষার আগে কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের?
দিল্লিভারতবর্ষশিক্ষাঙ্গন

ভারতে নিষিদ্ধ টেলিগ্রাম! NEET পরীক্ষার আগে কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের?

Share
ভারতে নিষিদ্ধ টেলিগ্রাম! NEET পরীক্ষার আগে কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের?
ছবি সংগৃহীত
Share

নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে NEET-PG পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস রুখতে এবার নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে যে, আপাতত গোটা দেশে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ ‘টেলিগ্রাম’ (Telegram) ব্যান করা হচ্ছে। আগামী ২১ জুন পুনরায় NEET-PG পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং প্রশ্ন ফাঁসের ঝুঁকি শূন্যে নামিয়ে আনতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত। জানা গিয়েছে, পরীক্ষার পরের দিন অর্থাৎ ২২ জুন পর্যন্ত গোটা দেশে এই অ্যাপটি নিষ্ক্রিয় থাকবে। মূলত NEET-UG পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের তদন্তে টেলিগ্রামের ভূমিকা সামনে আসার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না শিক্ষা মন্ত্রক।

[TECHTARANGA-POST:9995]

তদন্তকারী সংস্থাগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী, গত মে মাসে হওয়া নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র টেলিগ্রামের বিভিন্ন গ্রুপ ও চ্যানেলের মাধ্যমেই কেনাবেচা হয়েছিল। এমনকি আগামী ২১ জুনের পরীক্ষার ভুয়ো প্রশ্নপত্র ফাঁসের দাবি করে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একটি বড় চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছিল এই অ্যাপে। বহু ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের পরিবারকে টাকার বিনিময়ে আগাম প্রশ্ন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছিল। এই র‌্যাকেটকে সমূলে বিনাশ করতেই ডিজিটাল কোপ বসানো হলো টেলিগ্রামে। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মেসেজ এডিট করার সুবিধাও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কেউ পুরনো বার্তার সুযোগ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে। যদিও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) সাফ জানিয়েছে যে, প্রশ্ন ফাঁসের কোনও সুযোগ নেই এবং এই গ্রুপগুলি কেবল গুজব ছড়াচ্ছে।

[TECHTARANGA-POST:9967]

অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না কেন্দ্র। হায়দরাবাদ ও আমদাবাদ থেকে আকাশপথে বায়ুসেনার বিমানে এবং সড়কপথে দেশের প্রায় ৫৫১টি শহরে পরীক্ষা সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। প্রশ্নপত্র পরিবহণ এবং ওএমআর শিট সুরক্ষিতভাবে ফিরিয়ে আনার জন্য সিআরপিএফ (CRPF) ও সিআইএসএফ (CISF)-এর জওয়ানদের দিয়ে একটি সুসংহত ‘দ্বিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়’ তৈরি করা হয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যম থেকে শুরু করে বাস্তব যাতায়াত—সর্বত্রই যেন নিশ্ছিদ্র নজরদারি জারি রেখেছে কেন্দ্র, যাতে কয়েক লক্ষ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে আর কোনও ছিনিমিনি না খেলা হয়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *