০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিনোদন ২০ দিন ধরে অসহ্য যন্ত্রণা! অবশেষে অলৌকিক উপায়ে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন সোনু নিগম!
বিনোদনভারতবর্ষস্বাস্থ্য

২০ দিন ধরে অসহ্য যন্ত্রণা! অবশেষে অলৌকিক উপায়ে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন সোনু নিগম!

Share
২০ দিন ধরে অসহ্য যন্ত্রণা! অবশেষে অলৌকিক উপায়ে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন সোনু নিগম!
FILE IMAGE
Share

মুম্বই: অলকা ইয়াগনিকের পর এবার সুরের দুনিয়ায় আরও এক বড় ধাক্কা! মারাত্মক স্নায়ুর সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক সোনু নিগম। অবস্থা এতটাই শোচনীয় রূপ ধারণ করেছিল যে, যন্ত্রণার চোটে সোজা হয়ে দাঁড়ানো তো দূর, ঘাড় বা মাথাটুকু ঘোরানোর ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। একের পর এক কড়া ওষুধ, এমআরআই এবং সিটি স্ক্যান করেও যখন চিকিৎসকেরা কোনও কূলকিনারা পাচ্ছিলেন না, ঠিক তখনই ঘটল এক অবিশ্বাস্য মিরাকল। অবশেষে এক বিশেষ চিকিৎসকের জাদুকরি ছোঁয়ায় নিজের পায়ে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেন গায়ক। নিজেই ভিডিও বার্তা দিয়ে ভক্তদের শোনালেন সেই হাড়হিম করা ২০ দিনের অভিজ্ঞতার কথা।

[TECHTARANGA-POST:10238]

ভিডিও বার্তায় নিজের কাঁধের একটি বড় ব্যান্ডেজ দেখিয়ে সোনু নিগম জানান, আচমকাই তাঁর শরীরের ভেতরের স্নায়ুগুলো যেন একে অপরকে চিমটি কাটতে শুরু করেছিল, যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এই তীব্র কষ্টের কারণে বিগত বেশ কিছুদিন ধরে তাঁকে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসকের কড়া নজরদারিতে থাকতে হচ্ছিল। একের পর এক স্ক্যান ও সুদীর্ঘ ফিজিওথেরাপির সেশন চললেও যন্ত্রণার কোনও উপশম হচ্ছিল না। সোনুর কথায়, জিম বা শারীরচর্চা করার সময় অসাবধানতাবশত কোনও টান লেগে অথবা দীর্ঘদিন এক কাঁধে ভর দিয়ে শোয়ার অভ্যাসের কারণে এই মরণ যন্ত্রণা তৈরি হয়। গত ২০ দিনে পরিস্থিতি এতটাই বিগড়ে যায় যে, সোনু নিগমের প্রাত্যহিক কাজকর্ম সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল।

[TECHTARANGA-POST:10232]

এই ভাঙা শরীর ও তীব্র কষ্ট নিয়েই দিল্লিতে একটি পূর্বনির্ধারিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সোনু। আর সেখানেই যেন দেবদূতের মতো তাঁর জীবনে আসেন ‘চালবাজ’ ছবির বিখ্যাত পরিচালক পঙ্কজ পরাশর। সোনুর এই শোচনীয় দশা দেখে পঙ্কজ তড়িঘড়ি তাঁকে এমন এক বিশেষ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান, যিনি সাধারণত দেশের বড় বড় নামী ক্রিকেটতারকাদের জটিল চোট-আঘাতের চিকিৎসা করে থাকেন। ওই চিকিৎসক সোনুর অবস্থা দেখেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চিকিৎসা শুরু করে দেন। দিনে দু’বার করে টানা আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে বিশেষ থেরাপি।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *