০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা ডিম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, ‘৯৮% বাঙালি আমিষভোজী’ বলে বিজেপিকে নিশানা তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

ডিম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, ‘৯৮% বাঙালি আমিষভোজী’ বলে বিজেপিকে নিশানা তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের

Share
ডিম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, ‘৯৮% বাঙালি আমিষভোজী’ বলে বিজেপিকে নিশানা তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের
ছবি--প্রতীকী
Share

কলকাতা পুর এলাকার সরকারি স্কুলগুলির মিড-ডে মিল থেকে ডিম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হল। এবার এই ইস্যুতে বিজেপি সরকারকে সরাসরি নিশানা করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর অভিযোগ, শিশুদের উপর জোর করে নিরামিষ খাদ্যাভ্যাস চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

[TECHTARANGA-POST:10345]

মহুয়ার দাবি, ডিম শিশুদের জন্য অন্যতম সেরা প্রোটিনের উৎস। অথচ সেই ডিমের পরিবর্তে সয়াজাত খাবার দেওয়া হচ্ছে, যা অধিকাংশ শিশু খেতে চায় না। তাঁর কথায়, স্কুলে আসা বহু পড়ুয়ার কাছে মিড-ডে মিলই দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিকর খাবার। তাই ডিমের পরিবর্তে অন্য খাবার দেওয়া হলে তার প্রভাব পড়তে পারে শিশুদের পুষ্টির উপর। এই প্রসঙ্গে তিনি বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের কথাও তুলে ধরেন। মহুয়ার বক্তব্য, বাংলার অধিকাংশ মানুষ আমিষভোজী। তাই রাজমা বা সয়াকে ডিমের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরা বাস্তবসম্মত নয়। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “বাঙালিরা কি আদৌ রাজমা চেনে?” পাশাপাশি প্রশ্ন তোলেন, যাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাঁরা নিজেরা নিয়মিত রাজমা-ভাত খান কি না।

[TECHTARANGA-POST:10341]

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কলকাতা পুর এলাকার সরকারি স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিল সরবরাহের দায়িত্ব পরীক্ষামূলকভাবে ইসকনের হাতে দেওয়া হয়েছে। এরপরই জানা যায়, মেনু থেকে ডিম বাদ দিয়ে নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা হবে। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। যদিও বিজেপি এবং ইসকনের দাবি, নিরামিষ খাবারেও পর্যাপ্ত প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ রয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, ডাল, সয়া, দুধ ও শাকসবজির মাধ্যমে শিশুদের সুষম খাদ্য দেওয়া সম্ভব। তবে বিরোধীদের অভিযোগ, পুষ্টির প্রশ্নে আপস করে শিশুদের উপর একটি নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *