০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা জুলাই থেকেই শিয়ালদহের ৮ স্টেশনে বন্ধ হচ্ছে টিকিট কাউন্টার, ক্ষোভে ফুঁসছেন যাত্রীরা
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

জুলাই থেকেই শিয়ালদহের ৮ স্টেশনে বন্ধ হচ্ছে টিকিট কাউন্টার, ক্ষোভে ফুঁসছেন যাত্রীরা

Share
জুলাই থেকেই শিয়ালদহের ৮ স্টেশনে বন্ধ হচ্ছে টিকিট কাউন্টার, ক্ষোভে ফুঁসছেন যাত্রীরা
প্রতীকী ছবি
Share

কলকাতা: দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট কাটার প্ল্যান করছেন? তবে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে এক চরম দুঃসংবাদ। পরের মাস তথা জুলাই থেকেই শিয়ালদহ শাখার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনে চিরতরে বন্ধ হতে চলেছে রিজার্ভেশন (PRS) কাউন্টার। পূর্ব রেলের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে শিয়ালদহ উত্তর ও দক্ষিণ শাখার লাখ লাখ নিত্যযাত্রী এবং সাধারণ মানুষের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। ইতিমধ্যেই রেলের তরফে সংশ্লিষ্ট স্টেশনগুলিতে এই মর্মে নোটিস ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা দেখা মাত্রই ক্ষোভে ও অসন্তোষে ফুঁসতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কাউন্টারগুলি বন্ধ না করে পুনরায় আগের মতো সচল রাখার দাবি জানিয়ে রেল কর্তৃপক্ষের কাছে দরবার করতে শুরু করেছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

[TECHTARANGA-POST:10360]

পূর্ব রেলের জারি করা বিজ্ঞপ্তি ও নোটিস অনুযায়ী, শিয়ালদহ শাখার মোট আটটি স্টেশনে এই রিজার্ভেশন কাউন্টার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই তালিকার মধ্যে রয়েছে আগরপাড়া, টিটাগড়, জগদ্দল, বিরাটি, অশোকনগর রোড, মছলন্দপুর, ঢাকুরিয়া এবং নিউ আলিপুর স্টেশন। রেলের দাবি, এই সমস্ত কাউন্টারগুলির দৈনন্দিন কাজের চাপ বা ‘ওয়ার্কলোড’ বিশদভাবে বিশ্লেষণ করেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। নোটিসে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এখন থেকে দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট বুকিং, টিকিট বাতিল কিংবা অন্যান্য পরিষেবার জন্য যাত্রীদের নিকটবর্তী প্যাসেঞ্জার রিজার্ভেশন সিস্টেমে যোগাযোগ করতে হবে অথবা IRCTC-র অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে।

[TECHTARANGA-POST:10357]

রেল ডিজিটাল বুকিংয়ের ওপর জোর দিলেও বাস্তব ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্তে খুশি নন যাত্রীদের একটা বড় অংশ। বিরাটি, অশোকনগর ও ঢাকুরিয়ার মতো ব্যস্ত এলাকার প্রবীণ নাগরিক ও সাধারণ বাসিন্দাদের দাবি, ঘরের কাছের স্টেশনে কাউন্টার থাকায় সহজেই দূরপাল্লার টিকিট কাটা যেত। এবার এই কাউন্টারগুলি বন্ধ হয়ে গেলে টিকিট কাটার জন্য মাইলের পর মাইল পেরিয়ে বড় স্টেশনে ছুটতে হবে, যার ফলে সময় এবং অর্থ—দু’দিক থেকেই সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে। যাত্রীদের আরও অভিযোগ, প্রবীণ বা প্রযুক্তি-অসচেতন মানুষদের বাধ্য হয়ে সাইবার ক্যাফে বা বিভিন্ন এজেন্সির দ্বারস্থ হতে হবে, যারা টিকিটের ওপর চড়া অতিরিক্ত পরিষেবা মূল্য আদায় করে। অন্যদিকে বড় স্টেশনগুলিতে টিকিট কাটতে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর ধকল তো আছেই, তার ওপর সক্রিয় থাকা দালালচক্রের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *