০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা ১৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে মর্নিং স্কুল? স্কুল খোলার আগেই শিক্ষা দপ্তরের ‘বিজ্ঞপ্তি’ ঘিরে তোলপাড় রাজ্য!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গশিক্ষাঙ্গন

১৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে মর্নিং স্কুল? স্কুল খোলার আগেই শিক্ষা দপ্তরের ‘বিজ্ঞপ্তি’ ঘিরে তোলপাড় রাজ্য!

Share
১৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে মর্নিং স্কুল? স্কুল খোলার আগেই শিক্ষা দপ্তরের ‘বিজ্ঞপ্তি’ ঘিরে তোলপাড় রাজ্য!
ছবি--প্রতীকী
Share

কলকাতা: গরমের ছুটি কাটার পর আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্যের সব সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে মর্নিং স্কুল বা সকালের দফায় ক্লাস চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল স্কুল শিক্ষা দপ্তর। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তেই নেটপাড়ায় হু হু করে ছড়িয়ে পড়ল একটি নতুন বিজ্ঞপ্তি। যেখানে দাবি করা হয়েছে, তীব্র অস্বস্তির কথা মাথায় রেখে এই মর্ডিং স্কুলের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। শিক্ষক থেকে শুরু করে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে এই নিয়ে যখন তুমুল হইচই আর বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তখনই সামনে এল আসল সত্যিটা। শিক্ষা মহল সূত্রে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সমাজমাধ্যমে ঘুরতে থাকা এই নির্দেশিকাটি আদতে সম্পূর্ণ ভুয়ো।

[TECHTARANGA-POST:10396]

চলতি জুন মাসের শুরুতে গরমের ছুটি শেষ হলেও দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকায় পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই মর্নিং স্কুল চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উভয় স্তরের জন্যই আগামী কাল, অর্থাৎ ৩০ জুন পর্যন্ত এই নিয়ম বহাল থাকার কথা। কিন্তু এরই মধ্যে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের নাম ও লোগো ব্যবহার করে তৈরি একটি ভুয়ো পিডিএফ (PDF) কপি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়া হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তাঁরা ১৫ জুলাই পর্যন্ত সকালের স্কুলেই পঠনপাঠন জারি রাখেন এবং বিষয়টি যেন ছাত্রছাত্রীদেরও দ্রুত জানিয়ে দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই এই খবর ছড়াতেই চরম বিভ্রান্তিতে পড়েন স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে সাধারণ অভিভাবকেরা।

১৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল মর্নিং স্কুলের মেয়াদ?

[TECHTARANGA-POST:10391]

এই বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে এগিয়ে এসেছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, দপ্তর স্তরে খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে যে ১৫ জুলাই পর্যন্ত মর্নিং স্কুল চালানোর এই বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ জালিয়াতি। এর সাথে সরকারি কোনো সিদ্ধান্তের মিল নেই। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি দাবি তুলেছেন, শিক্ষা দপ্তরের মতো একটি সংবেদনশীল বিষয়ের নাম ভাঙিয়ে যারা এই ধরণের ভুয়ো খবর বা নির্দেশিকা ছড়াচ্ছে, প্রশাসন যেন অবিলম্বে তাদের সাইবার সেল মারফত খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তি দেয়। অন্যথায়, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর এই বিপজ্জনক প্রবণতা আগামী দিনে আরও মারাত্মক আকার ধারণ করবে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *