০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অর্থনীতি রামমন্দিরেও টাকার বিনিময়ে চাকরি? কোটি কোটি টাকা চুরির তদন্তে এবার প্রাক্তন ট্রাস্টির সম্পত্তিতে নজর সিটের!
অর্থনীতিকূটনীতিপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

রামমন্দিরেও টাকার বিনিময়ে চাকরি? কোটি কোটি টাকা চুরির তদন্তে এবার প্রাক্তন ট্রাস্টির সম্পত্তিতে নজর সিটের!

Share
রামমন্দিরেও টাকার বিনিময়ে চাকরি? কোটি কোটি টাকা চুরির তদন্তে এবার প্রাক্তন ট্রাস্টির সম্পত্তিতে নজর সিটের!
ফাইল ছবি
Share

অযোধ্যা: উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যার ঐতিহ্যবাহী রামমন্দিরে ভক্তদের দেওয়া কোটি কোটি টাকার অনুদান ও মূল্যবান সামগ্রী চুরির ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। তবে এই কেলেঙ্কারি শুধু চুরিতেই সীমাবদ্ধ নেই, এবার এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার এক মারাত্মক অভিযোগ।

[TECHTARANGA-POST:10408]

 রামমন্দিরের এই চুরিকাণ্ডের তদন্তে নেমে পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর নজরে এসেছেন ‘শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর প্রাক্তন সদস্য তথা পদত্যাগী ট্রাস্টি অনিল মিশ্র। মন্দির চত্বরে কর্মী নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে ইতিমধ্যেই বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, রামমন্দিরে চাকরির সুপারিশ করার জন্য বড় অঙ্কের ‘কমিশন’ বা টাকা লেনদেন হতো, যার সঙ্গে সরাসরি যোগ থাকতে পারে এই হেভিওয়েট প্রাক্তন ট্রাস্টির।

[TECHTARANGA-POST:10473]

তদন্তকারী সূত্রের খবর, রামমন্দিরের দানের টাকা চুরির ঘটনায় সিট এখনও পর্যন্ত আট জনকে গ্রেফতার করেছে, যার মধ্যে ছয়জনই বারাণসীর একটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার কর্মী। এই সংস্থাই মন্দিরের দানের টাকা গোনার কাজের জন্য লোক সরবরাহ করত। ধৃতদের মধ্যে অবিনাশ শুক্লা নামে এক অভিযুক্তকে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, গণনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি এড়াতে চক্রের বাকি সদস্যরা চারদিক থেকে ঘিরে দাঁড়াতেন এবং একজন টাকা সরাতেন। এরপর সেই চুরির কোটি কোটি নগদ ও সোনা-দানা সাময়িকভাবে মন্দিরের শৌচাগারে লুকিয়ে রাখা হতো এবং পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে অত্যন্ত সন্তর্পণে তা বাইরে পাচার করা হতো। অবিনাশ ইতিমধ্যেই প্রায় তিন কোটি টাকা চুরির কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।

[TECHTARANGA-POST:10461]

ধৃত অবিনাশ মিশ্রকে জেরা করার সময়ই সামনে আসে প্রাক্তন ট্রাস্টি অনিল মিশ্রের নাম। অভিযুক্তের বয়ান অনুযায়ী, রামমন্দিরের অন্তত ১২৫ জন কর্মী অনিল মিশ্রের সুপারিশে চাকরি পেয়েছিলেন, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ও রয়েছেন। সিট-এর আধিকারিকরা সন্দেহ করছেন, এই বিপুল সংখ্যক নিয়োগের পেছনে কোটি কোটি টাকার কমিশন নেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে অনিল মিশ্র ট্রাস্টের সদস্য হওয়ার পর তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ কতটা বৃদ্ধি পেয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে সিট। এই পুরো লোন বা কমিশন চক্রে অনুকল্প মিশ্র এবং লবকুশ মিশ্র নামে আরও দুই ব্যক্তির ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিট-এর আগামী রিপোর্টে এই বিপুল আর্থিক দুর্নীতির সমস্ত খতিয়ান প্রকাশ্যে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *