০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা সই জাল কাণ্ডে বড় স্বস্তি! সিআইডি-র তলবের মাঝেই অভিষেকের রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়াল হাই কোর্ট
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

সই জাল কাণ্ডে বড় স্বস্তি! সিআইডি-র তলবের মাঝেই অভিষেকের রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়াল হাই কোর্ট

Share
সই জাল কাণ্ডে বড় স্বস্তি! সিআইডি-র তলবের মাঝেই অভিষেকের রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়াল হাই কোর্ট
ছবি--প্রতীকী
Share

কলকাতা: বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের সই জাল করার চাঞ্চল্যকর মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে বড়সড় স্বস্তি পেলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের একক বেঞ্চ এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত সাংসদের আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছেন। তবে এই স্বস্তির পাশাপাশি আদালতের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, রক্ষাকবচ বহাল থাকলেও সই জালিয়াতির এই হাই-প্রোফাইল তদন্তে সিআইডি-কে আগের মতোই সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে অভিষেককে। এই ঘটনার জেরে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের পর থেকে ধুঁকতে থাকা শাসক শিবিরের আইনি লড়াই যে আরও দীর্ঘায়িত হলো, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

[TECHTARANGA-POST:10564]

৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ৬ মে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে জয়ী বিধায়কদের একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠক থেকেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রকে উপদলনেতা এবং ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক করার প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং সেই মর্মে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষেকের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বিধানসভায় পাঠানো হয়। কিন্তু পরিষদীয় নিয়ম অনুযায়ী এই নির্বাচন বিধায়কদের পরিষদীয় বৈঠকের ভেতরে হওয়া বাধ্যতামূলক হওয়ায় বিধানসভা সেই চিঠি প্রত্যাখ্যান করে। অভিযোগ, এই জটিলতা ঢাকতে ১৯ মে ফের বৈঠক ডেকে ৬ মে-র কার্যবিবরণীর ব্যাকডেটে বিধায়কদের দিয়ে সই করানো হয়, যেখানে একাধিক সইতে ‘অসঙ্গতি’ বা জালিয়াতির প্রমাণ মেলে। রাজ্য সরকার এই গুরুতর জালিয়াতির তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেওয়ার পর, গত ৩০ মে তদন্তকারীরা খোদ অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন।

[TECHTARANGA-POST:10563]

এই সই জাল মামলার সূত্র ধরে সিআইডি-র তরফ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি নির্দিষ্ট সময়ে হাজিরা না দিয়ে তদন্তকারী সংস্থার কাছে কিছুটা সময় চেয়ে নেন এবং পরবর্তীতে আইনি সুরক্ষার খোঁজে সরাসরি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত প্রথম দফায় তাঁকে তদন্তে সহযোগিতার শর্তে রক্ষাকবচ দিলেও, এবার সেই মেয়াদের সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সরকার আসার পর এই প্রথম কোনও বড় দুর্নীতির মামলায় সিআইডি খোদ শীর্ষ তৃণমূল নেতৃত্বের অন্দরে ঢুকে তদন্ত চালাচ্ছে, যা নিয়ে রাজ্য জুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাঞ্চল্য।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *