০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অপরাধ রাম মন্দিরের দানবাক্সে এত বড় হাতসাফাই! চুরি থামতেই একধাক্কায় বাড়ল দৈনিক আয়
অপরাধঅর্থনীতিপশ্চিমবঙ্গভ্রমণ

রাম মন্দিরের দানবাক্সে এত বড় হাতসাফাই! চুরি থামতেই একধাক্কায় বাড়ল দৈনিক আয়

Share
রাম মন্দিরের দানবাক্সে এত বড় হাতসাফাই! চুরি থামতেই একধাক্কায় বাড়ল দৈনিক আয়
ফাইল ছবি
Share

অযোধ্যা: রাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে লাগাতার চলা চুরির পর্দা ফাঁস হতেই সামনে এলো এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই চুরির চক্র বন্ধ হতেই হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে রাম মন্দিরের দৈনিক আয় এবং সম্পত্তির পরিমাণ। সরকারি সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, আগে যেখানে মন্দিরের রেজিস্টার্ড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দৈনিক গড়ে ১৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা জমা পড়ত, কুখ্যাত সেই চুরির রমরমা বন্ধ হতেই বর্তমানে সেই দৈনিক অনুদানের অঙ্কটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ থেকে ২৬ লক্ষ টাকা।

[TECHTARANGA-POST:10608]

 অর্থাৎ, স্রেফ নগদ টাকা চুরি বন্ধ হওয়াতেই মন্দির কর্তৃপক্ষের দৈনিক আয় সরাসরি প্রায় ৮ লক্ষ টাকা করে বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ কোনো তিথি বা উৎসবের দিন ছাড়া সাধারণ দিনগুলিতেও এই বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা প্রতিদিন হাপিশ করে দেওয়া হতো বলে ধারণা তদন্তকারীদের।

[TECHTARANGA-POST:10610]

নগদ টাকার এই বিশাল ফারাক সামনে আসার পর স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকে প্রতিদিন গড়ে ৮ লক্ষ টাকা করে শুধু ক্যাশ চুরি করা হয়েছে। তবে এখানেই শেষ নয়, ভক্তদের দেওয়া সোনাদানা এবং অন্যান্য মূল্যবান অলঙ্কারের চুরির বহর দেখে চোখ কপালে উঠেছে তদন্তকারীদের। পুলিশ সামান্য কিছু টাকা উদ্ধার করতে পারলেও, চুরি যাওয়া বিপুল পরিমাণ সোনার এখনও কোনো হদিশ মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট (SIT)-এর অনুমান, চুরি যাওয়া সোনা চটজলদি গলিয়ে বিস্কুটে পরিণত করা হয়েছে, যাতে সেগুলিকে চেনা না যায় এবং খুব সহজে অন্য কোথাও পাচার বা লুকিয়ে ফেলা সম্ভব হয়।

[TECHTARANGA-POST:10595]

চুরির এই বিশাল নেটওয়ার্কের গভীরে পৌঁছাতে ইতিমধ্যে রাম মন্দির পরিদর্শন করেছেন সিটের উচ্চপদস্থ কর্তারা। মন্দিরের ইনচার্জ কেডি বাবুকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি মন্দিরের গয়না ও মূল্যবান সামগ্রীর সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের সমস্ত খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

‘এটা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয়’— রুদ্রনীল

তদন্তকারীরা সরকারি মালিকানাধীন প্রিন্টিং অ্যান্ড মিন্টিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার সাথে লেনদেনের সমস্ত তথ্য এবং ব্যাঙ্ক ও মিন্টে পাঠানো মূল্যবান ধাতুর হিসেব চেয়ে পাঠিয়েছেন। এদিকে তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে হওয়া আয় প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, সেই আলোচনায় সোনা, রুপো ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর মজুত নিয়ে কেন বিস্তারিত কাটাছেঁড়া করা হতো না, তা নিয়েই এখন বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *