০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অপরাধ বারুইপুরের পর এবার মালদহে নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ’, বিহারে পালালেও শেষরক্ষা হলো না শেখ রবিউলের!
অপরাধআইন-কানুনপশ্চিমবঙ্গ

বারুইপুরের পর এবার মালদহে নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ’, বিহারে পালালেও শেষরক্ষা হলো না শেখ রবিউলের!

Share
বারুইপুরের পর এবার মালদহে নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ’, বিহারে পালালেও শেষরক্ষা হলো না শেখ রবিউলের!
ছবি--প্রতীকী
Share

মালদহ: বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও নৃশংস খুনের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তপ্ত উত্তরবঙ্গ। মালদহে ১২ বছরের এক নাবালিকাকে ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে পাশবিক ধর্ষণের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। তবে বারুইপুরের মতোই এই ঘটনাতেও নজিরবিহীন গতিতে অ্যাকশন নিল পুলিশ। ঘটনার পর অভিযুক্ত যুবক ভিনরাজ্যে চম্পট দিলেও, শেষরক্ষা হলো না। খবর প্রকাশ্যে আসার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে লোকেশন ট্র্যাক করে বিহারের পূর্ণিয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই নাবালিকা মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সোমবার সকালে ধৃতকে মালদহ জেলা আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

[TECHTARANGA-POST:10661]

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইংরেজবাজার থানার যদুপুর এলাকার এই ঘটনায় ধৃত যুবকের নাম শেখ রবিউল। নির্যাতিতা নাবালিকা এবং অভিযুক্ত রবিউল একই পাড়ার বাসিন্দা। রবিবার দুপুরে রবিউলের বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সে ওই ১২ বছরের নাবালিকাকে ফুসলিয়ে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যায় এবং সেখানে তার ওপর পাশবিক অত্যাচার চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ি ফিরে চরম অসুস্থ হয়ে পড়লে নির্যাতিতার পরিবার বিষয়টি জানতে পারে এবং তড়িঘড়ি তাকে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। নাবালিকার পরিবারের দেওয়া লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই পকসো (POCSO) আইনে মামলা রুজু করে তদন্তে নামেন ইংরেজবাজার থানার আধিকারিকেরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় নতুন করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।

ঝাড়গ্রামে জনদরবার, দ্রুত সমাধানের আশ্বাস বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউয়ের

অন্যদিকে, বেগতিক বুঝে ঘটনার পরপরই রাজ্য ছেড়ে বিহারে পালিয়ে গিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল অভিযুক্ত শেখ রবিউল। মালদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাকসুদ হাসান জানিয়েছেন, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই একটি বিশেষ পুলিশ দল গঠন করা হয়েছিল। এরপর প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে রবিবার রাতেই বিহারের পূর্ণিয়া থেকে পাকড়াও করা হয় রবিউলকে। ধৃতকে আদালতে পেশ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের পুলিশি হেফাজত চাওয়া হয়েছে। বারুইপুর কাণ্ডের পর নারী সুরক্ষায় রাজ্য পুলিশের এই ব্যাক-টু-ব্যাক ‘সুপারফাস্ট’ অ্যাকশন ও ভিনরাজ্য থেকে মূল অপরাধীকে চটজলদি খাঁচাবন্দি করার তৎপরতা জেলা জুড়ে বেশ সাড়া ফেলেছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *