০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অর্থনীতি ৪৪০ কোটির তহবিলের লেনদেন, ট্রাভেল এজেন্সির ভূমিকা! একাধিক তথ্য যাচাইয়ে পাঁচ জায়গায় ইডির ম্যারাথন তল্লাশি
অর্থনীতিকলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

৪৪০ কোটির তহবিলের লেনদেন, ট্রাভেল এজেন্সির ভূমিকা! একাধিক তথ্য যাচাইয়ে পাঁচ জায়গায় ইডির ম্যারাথন তল্লাশি

Share
৪৪০ কোটির তহবিলের লেনদেন, ট্রাভেল এজেন্সির ভূমিকা! একাধিক তথ্য যাচাইয়ে পাঁচ জায়গায় ইডির ম্যারাথন তল্লাশি
এ আই নির্মিত ছবি
Share

বিধানসভা ভোটের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ভাঙন ও দলীয় তহবিল নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত। সেই আবহেই এবার তৃণমূলের কয়েকশো কোটি টাকার দলীয় তহবিল নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিল ইডি। মঙ্গলবার কলকাতা, সল্টলেক এবং নিউটাউনের মোট পাঁচটি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, দলীয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হওয়া আর্থিক লেনদেন এবং সেই টাকার ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতেই এই অভিযান।

[TECHTARANGA-POST:10681]

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক ব্যবসায়ী ও ট্রাভেল এজেন্সির অফিস এবং বাড়িতে তল্লাশি চলছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই সংস্থাগুলির মাধ্যমে তৃণমূলের দলীয় তহবিলের অর্থ লেনদেন হয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি দলের বিভিন্ন নেতার দেশ-বিদেশ সফরের টিকিট বুকিং, সেই সফরের উদ্দেশ্য এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোন ব্যক্তির নামে, কোন সময়ে এবং কী উদ্দেশ্যে টিকিট কাটা হয়েছিল, তার সমস্ত নথি সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা।

এক জায়গায় দুই রাজ্য! জানেন কি বাংলার এই ‘শেষ বাসস্ট্যান্ড’-এর কথা!

 প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, গত প্রায় ১৫ দিন ধরে তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চালাচ্ছিল ইডি। কোন অ্যাকাউন্ট থেকে কত টাকা লেনদেন হয়েছে, সেই অর্থ কোথায় গিয়েছে এবং কারা সেই লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছিল। সোমবার রাতে দিল্লিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পরই তদন্তের পরবর্তী ধাপে ইসিআইআর (ECIR) নথিভুক্ত করে ইডি। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর-এর ভিত্তিতেই এই তদন্ত শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

[TECHTARANGA-POST:10635]

প্রসঙ্গত, তৃণমূলে ভাঙনের পর থেকেই দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ তীব্র হয়। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে সমস্ত দলীয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আবেদন জানান। পরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরও পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে একই দাবি তোলে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৪৪০ কোটি টাকার লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, কালীঘাট তৃণমূল ওই অ্যাকাউন্টগুলি খুলে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়। তবে গত সপ্তাহে মামলার শুনানিতে আদালত আপাতত অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ রাখার নির্দেশ বহাল রাখে এবং ব্যাঙ্ক ও পুলিশের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করে। আগামী ৮ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *