০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অপরাধ ১৩ বছরের অপেক্ষার পর কি মিলবে বিচার? মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে ফের আশার আলো দেখছে কামদুনির পরিবার
অপরাধপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

১৩ বছরের অপেক্ষার পর কি মিলবে বিচার? মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে ফের আশার আলো দেখছে কামদুনির পরিবার

Share
১৩ বছরের অপেক্ষার পর কি মিলবে বিচার? মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে ফের আশার আলো দেখছে কামদুনির পরিবার
ছবি সংগৃহীত
Share

দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, লড়াই আর ক্ষোভের পর আবারও নতুন করে জেগে উঠল ন্যায়বিচারের আশা। বুধবার সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য কার্যালয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে হাজির হলেন কামদুনির নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা। মৃত কলেজছাত্রীর মা ও ভাই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানান।

[TECHTARANGA-POST:10938]

তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কামদুনি আন্দোলনের দুই পরিচিত মুখ মৌসুমি কয়াল এবং টুম্পা কয়াল। দীর্ঘদিন ধরে এই ঘটনায় বিচার চেয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, কামদুনি মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় রাজ্য সরকার কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। বর্তমানে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবীরাও নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের মুখেও শোনা যায় আশার সুর। তাঁদের কথায়, বহু বছর পর মনে হচ্ছে, মেয়ের মৃত্যুর বিচার হয়তো এবার সত্যিই মিলতে পারে।

[TECHTARANGA-POST:10933]

মৌসুমি কয়াল ও টুম্পা কয়াল বলেন, মুখ্যমন্ত্রী কামদুনি আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম থেকেই আবেগগতভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি সমস্ত বিষয় জানেন এবং দ্রুত ‘কামদুনি ফাইলস’ পুনরায় খোলার আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, এক মাসের মধ্যেই দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিতে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ, গণধর্ষণ এবং নৃশংসভাবে খুন করা হয়। সেই ঘটনা শুধু রাজ্য নয়, গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এরপর থেকেই ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন এলাকার কয়েকজন তরুণী, যাঁদের মধ্যে ছিলেন মৌসুমি ও টুম্পা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *