০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ টেক ডার্ক ওয়েবে ফাঁস পরমাণু কেন্দ্রের গোপন নথি! ১৯ হাজার সংবেদনশীল ফাইল ঘিরে উদ্বেগ
টেকভারতবর্ষ

ডার্ক ওয়েবে ফাঁস পরমাণু কেন্দ্রের গোপন নথি! ১৯ হাজার সংবেদনশীল ফাইল ঘিরে উদ্বেগ

Share
ডার্ক ওয়েবে ফাঁস পরমাণু কেন্দ্রের গোপন নথি! ১৯ হাজার সংবেদনশীল ফাইল ঘিরে উদ্বেগ
ছবি সংগৃহীত
Share

কুদানকুলাম পরমাণু কেন্দ্রের নকশা, অভ্যন্তরীণ তথ্য ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক নথি ফাঁসের দাবি হ্যাকার গোষ্ঠী ‘ওয়ার্ল্ড লিকস’-এর। ঘটনায় তদন্তে নেমেছে কেন্দ্রের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা ‘ইন্ডিয়ান কম্পিউটার এমারজেন্সি রেসপন্স টিম’ (CERT-In)। 

 

ভারতের বৃহত্তম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম তামিলনাড়ুর কুদানকুলাম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট। সেই কেন্দ্রের হাজার হাজার গোপন নথি ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হয়েছে বলে দাবি ঘিরে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হ্যাকার গোষ্ঠী ‘ওয়ার্ল্ড লিকস’-এর দাবি, র‍্যানসমওয়্যার হামলার মাধ্যমে তারা প্রায় ১৯ হাজার সংবেদনশীল নথি হাতে পেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পরমাণু কেন্দ্রের বিভিন্ন অংশের নকশা, যন্ত্রাংশের তথ্য, সরবরাহকারী সংস্থার বিবরণ এবং কিছু নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্যও। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই তথ্যগুলি পরমাণু কেন্দ্রের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অনিল আম্বানির রিলায়েন্স এডিএজি-র একটি সার্ভার থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে হ্যাকাররা। যদিও সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তাদের ডেটা সেন্টারের পরিষেবা প্রদানকারী তৃতীয় পক্ষের সংস্থা ‘ইয়োট্টা’-র পরিচালিত একটি সার্ভারে আংশিক ডেটা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি সরকারকে জানানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে রিলায়েন্স। তবে ঠিক কী কী তথ্য ফাঁস হয়েছে, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এই ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পরমাণু কেন্দ্র সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ্যে চলে আসা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। ওয়ার্ল্ড লিকসের দাবি, তারা মোট ৮ লক্ষ ৫৮ হাজারেরও বেশি ফাইল হাতিয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১৯ হাজার নথিকে ‘অত্যন্ত সংবেদনশীল’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য, কুদানকুলাম পরমাণু কেন্দ্রের তৃতীয় ও চতুর্থ ইউনিট নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছিল রিলায়েন্স এডিএজি। ২০২৭ সালে এই ইউনিটগুলি চালু হওয়ার কথা। সেগুলি সম্পূর্ণ হলে অতিরিক্ত ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ‘ওয়ার্ল্ড লিকস’ একটি কুখ্যাত র‍্যানসমওয়্যার গোষ্ঠী। অতীতেও নাইকি, টাটা গ্রুপ-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় সংস্থার উপর সাইবার হামলার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। তাই কুদানকুলামের তথ্য ফাঁসের দাবি সামনে আসতেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *