০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা ভুয়ো শংসাপত্র রুখতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি! জন্ম ও মৃত্যুর সার্টিফিকেট পেতে একগুচ্ছ নতুন নিয়ম জারি রাজ্যের
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গস্বাস্থ্য

ভুয়ো শংসাপত্র রুখতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি! জন্ম ও মৃত্যুর সার্টিফিকেট পেতে একগুচ্ছ নতুন নিয়ম জারি রাজ্যের

Share
ভুয়ো শংসাপত্র রুখতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি! জন্ম ও মৃত্যুর সার্টিফিকেট পেতে একগুচ্ছ নতুন নিয়ম জারি রাজ্যের
ছবি--প্রতীকী
Share

কলকাতা: বাংলায় ভুয়ো জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র নিয়ে বিগত দিনে ওঠা একাধিক কেলেঙ্কারির অভিযোগের পর এবার কড়া অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। নয়া সরকার ক্ষমতায় আসতেই এই ধরনের জালিয়াতি রুখতে বার্থ ও ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করার ক্ষেত্রে আনা হলো আমূল পরিবর্তন। বুধবার মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পরেই স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে একটি নয়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ‘রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থ অ্যান্ড ডেথ অ্যামেন্ডমেন্ট রুল, ২০২৬’ জারি করে রাজ্য সরকারের তরফে একটি গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে শংসাপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু কড়া শর্ত বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
[TECHTARANGA-POST:10992]
নতুন এই সংশোধনী নিয়ম অনুযায়ী, এবার থেকে জন্ম বা মৃত্যুর শংসাপত্রের ফর্ম ফিলআপের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই নামের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা ইনিশিয়াল ব্যবহার করা যাবে না। নামের প্রতিটি অক্ষর স্পষ্ট করে লিখতে হবে। ঠিকানার ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে কড়াকড়ি; ফর্মে রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নামের পাশাপাশি জেলা, শহর বা গ্রাম, ওয়ার্ড নম্বর, এলাকা, বাড়ির নম্বর এবং পিন কোডের নিখুঁত উল্লেখ থাকা আবশ্যিক। সবচেয়ে বড় বদল এসেছে ডেথ সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে।
অরণ্য সপ্তাহে সবুজের বার্তা, ফরাক্কায় ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সচেতনতা শোভাযাত্রা

 এবার থেকে মৃত্যুর কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অসুস্থতার পুঙ্খানুপুঙ্খ ইতিহাস ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। কোনো ব্যক্তি যদি হাসপাতালে না মারা যান, অর্থাৎ নন-ইনস্টিটিউশনাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির নির্দিষ্ট মেডিক্যাল সার্টিফিকেট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
[TECHTARANGA-POST:10985]
একই সঙ্গে দেরিতে জন্ম বা মৃত্যুর নথিভুক্তির নিয়মেও লাগাম টেনেছে স্বাস্থ্যভবন। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ঘটনার ৩০ দিন পরে আবেদন করলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ দর্শানোর পাশাপাশি নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। যদি তথ্য ঘটনার ৩০ দিন পর থেকে ১ বছরের মধ্যে জমা পড়ে, তবে জেলা রেজিস্ট্রার বা নির্ধারিত আধিকারিকের লিখিত অনুমতি এবং ৫০ টাকা লেট ফি-সহ ১৪ নম্বর ফর্ম জমা দিতে হবে। ১ বছর থেকে ২ বছরের মধ্যে নথিবদ্ধ করালে ১০০ টাকা লেট ফি লাগবে। আর সময় যদি ২ বছর পেরিয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ অনুমতি ও ১০০ টাকা লেট ফি ধার্য করা হয়েছে। ফর্মে সন্দেহজনক কিছু মিললে স্বাস্থ্য দপ্তর সরাসরি সরেজমিনে তদন্ত করবে এবং তথ্য মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর প্রমাণিত হলে আবেদন সরাসরি বাতিল করা হবে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *