০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিশ্ব মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ এবার দিল্লিতে, চাবাহার বন্দরে হামলায় অনিশ্চয়তায় ভারতের বহু বছরের পরিকল্পনা
বিশ্বরাজনীতি

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ এবার দিল্লিতে, চাবাহার বন্দরে হামলায় অনিশ্চয়তায় ভারতের বহু বছরের পরিকল্পনা

Share
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ এবার দিল্লিতে, চাবাহার বন্দরে হামলায় অনিশ্চয়তায় ভারতের বহু বছরের পরিকল্পনা
ছবি সংগৃহীত
Share

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সরাসরি প্রভাব এবার ভারতের কৌশলগত স্বার্থের উপর পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরানে মার্কিন হামলার জেরে আলোচনায় উঠে এসেছে চাবাহার বন্দর। একাধিক আন্তর্জাতিক ও ইরানি সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক হামলায় চাবাহার বন্দরের আশপাশের এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবি ও ভিডিওতে একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ভেঙে পড়ার দৃশ্য দেখা গিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথও একটি ছবি শেয়ার করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ভাইরাল হওয়া সমস্ত ছবি ও ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। চাবাহার বন্দর ভারতের কাছে শুধু একটি বাণিজ্যিক প্রকল্প নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পদ। ২০১৬ সালে ভারত, ইরান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে এই বন্দরের উন্নয়ন প্রকল্পে অংশ নেয় নয়াদিল্লি। পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার না করেই আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ গড়ে তোলার অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে চাবাহারকে গড়ে তুলেছিল ভারত। এই প্রকল্পে ভারত বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চাবাহার ভারতের ‘গেটওয়ে টু সেন্ট্রাল এশিয়া’। ফলে এই বন্দরের কার্যক্রমে কোনও ধরনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়লে ভারতের বহু বছরের পরিকল্পনা ধাক্কা খেতে পারে।

[TECHTARANGA-POST:11001]

চাবাহার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে পাকিস্তান ও চিনের। পাকিস্তানের গদর বন্দরের খুব কাছেই অবস্থিত এই বন্দর। গদরকে কেন্দ্র করে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) গড়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে গদরের গুরুত্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা ছিল বেজিংয়ের। কিন্তু চাবাহারের উন্নয়ন সেই সমীকরণে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, চাবাহারের কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়লে কৌশলগতভাবে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেতে পারে চিন ও পাকিস্তান। কারণ, সে ক্ষেত্রে মধ্য এশিয়ার বাণিজ্যিক সংযোগে গদর বন্দরের গুরুত্ব আরও বাড়বে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *