০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা একুশে জুলাইয়ে দুর্যোগের ভ্রূকুটি! কলকাতায় মুষলধারে বৃষ্টি, উত্তরে প্লাবনের শঙ্কা
কলকাতাপরিবেশ ও আবহাওয়াপশ্চিমবঙ্গ

একুশে জুলাইয়ে দুর্যোগের ভ্রূকুটি! কলকাতায় মুষলধারে বৃষ্টি, উত্তরে প্লাবনের শঙ্কা

Share
একুশে জুলাইয়ে দুর্যোগের ভ্রূকুটি! কলকাতায় মুষলধারে বৃষ্টি, উত্তরে প্লাবনের শঙ্কা
ছবি--প্রতীকী
Share

কলকাতা: একুশে জুলাইয়ের উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহাওয়ার মাঝেই রাজ্যবাসীর অস্বস্তি বাড়িয়ে চোখ রাঙাচ্ছ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতে দফায় দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে, যা দিনভর অব্যাহত থাকবে। মৌসুমি অক্ষরেখা রাঁচি ও দিঘার ওপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ড ও গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের ওপর সৃষ্টি হয়েছে এক শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত। এর জোড়া ফলায় উত্তর থেকে দক্ষিণ— গোটা রাজ্যজুড়েই আগামী কয়েকদিন ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা তীব্র হয়ে উঠেছে, যা রাজপথের হাইভোল্টেজ রাজনৈতিক সমাবেশ থেকে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

[TECHTARANGA-POST:11129]

দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের ওই ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে মঙ্গলবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়া জেলায় ভারী বৃষ্টির স্পেল দেখা যাবে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার থেকে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির গতি ও তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পাবে, তার সাথেই ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও আগামী বুধবার পর্যন্ত অঝোরধারায় বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় টানা অতিবৃষ্টির কারণে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের বিভিন্ন স্পর্শকাতর পয়েন্টে ধসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর সাথে পাহাড় থেকে নেমে আসা জলে নদীগুলির জলস্তর বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে নিচু এলাকা প্লাবিত হতে পারে। বিশেষ করে বুধবার জলপাইগুড়ির একাধিক অংশে প্রবল বর্ষণে কৃষিজমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন আবহাওয়াবিদরা। সব মিলিয়ে একুশের মেগা দিনে ছাতা ও রেইনকোটসঙ্গী করেই বেরোতে হচ্ছে তিলোত্তমাবাসীকে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *