বিধানসভায় ফের প্রকাশ্যে এল বিরোধী দলনেতা নিয়ে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েন। বুধবার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনার সময় বক্তব্য রাখতে উঠে শেষ পর্যন্ত বসে পড়তে হল কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। এরপরই বক্তাদের তালিকা নিয়ে আপত্তি তোলেন কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদ। আর সেই বিতর্কের মাঝেই বিরোধী শিবিরকে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
[TECHTARANGA-POST:11150]
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিধানসভায় একাধিক বিরোধী দল রয়েছে এবং প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী বক্তব্য রাখার সুযোগ পাওয়া উচিত। তবে বিরোধী শিবিরের অভ্যন্তরীণ বিরোধ মেটানো সরকারের দায়িত্ব নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আপনারা নিজেদের ঝগড়া নিজেরাই মেটান। সেই ঝগড়া মেটানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী বা হাউস বসে নেই। সুষ্ঠুভাবে অধিবেশন চলতে দিন।”
[TECHTARANGA-POST:11130]
বিধানসভায় বর্তমানে বিরোধী দলনেতার পদ নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মানলেও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির নিজেদের নেতৃত্বকেই স্বীকৃতি দিচ্ছে। ফলে কোন শিবিরের তরফে বক্তাদের তালিকা গ্রহণ করা হবে, তা নিয়ে বারবার জটিলতা তৈরি হচ্ছে। বুধবারও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে উঠলেও তাঁকে আর বক্তব্য রাখতে দেওয়া হয়নি। এরপর আলিফা আহমেদ অভিযোগ করেন, তাঁদের পক্ষ থেকে যে বক্তাদের নাম পাঠানো হচ্ছে, তা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। এতে বিধায়কদের বক্তব্য রাখার সুযোগ নষ্ট হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
Leave a comment