০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ দিল্লি গলায় প্ল্যাকার্ড, নিশানায় ‘২০ জন গদ্দার’! সাসপেন্ড হয়েই সংসদ চত্বরে একাই গর্জে উঠলেন কল্যাণ, দিলেন সরকার পতনের কড়া হুঁশিয়ারি
দিল্লিভারতবর্ষরাজনীতি

গলায় প্ল্যাকার্ড, নিশানায় ‘২০ জন গদ্দার’! সাসপেন্ড হয়েই সংসদ চত্বরে একাই গর্জে উঠলেন কল্যাণ, দিলেন সরকার পতনের কড়া হুঁশিয়ারি

Share
Share

নয়া দিল্লি: লোকসভার বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পরদিনই সংসদ চত্বরে অভিনব প্রতিবাদের পথে হাঁটলেন প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে একাই গর্জে উঠলেন তিনি। তাঁর গলার প্ল্যাকার্ডে বড় বড় হরফে লেখা ছিল, ‘বিজেপির সঙ্গে সংসদে ২০ জন গদ্দার রয়েছে’। তবে শুধু নীরব প্রতিবাদেই থেমে থাকেননি তিনি। প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে জোরালো গলায় স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি বিজেপি এবং দলের বিক্ষুব্ধ শিবিরের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন এই দুঁদে আইনজীবী-সাংসদ।

[TECHTARANGA-POST:11196]

উল্লেখ্য, গত কালই স্পিকার ওম বিড়লার নির্দেশে বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জানা গিয়েছে, এনসিপিআই সাংসদ তথা লোকসভার মুখ্য সচেতক কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের টিডিপি সাংসদ কৃষ্ণপ্রসাদ তেনেটি তাঁর বিরুদ্ধে সংসদীয় অনাচার ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ এনে স্পিকারের কাছে লিখিত নালিশ জানান। মূলত দুটি বিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। 

[TECHTARANGA-POST:11185]

প্রথমত, প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-সহ একাধিক মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে অসংসদীয় মন্তব্য করা এবং দ্বিতীয়ত, অধিবেশন চলাকালীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের নাম উল্লেখ করে চরম কটূক্তি ও অসংসদীয় শব্দ প্রয়োগ। টিডিপি সাংসদ কৃষ্ণপ্রসাদ তেনেটি সংবাদমাধ্যমে এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে জানান, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের দলের মহিলা সাংসদদের বিষয়ে অত্যন্ত অসংসদীয় ভাষায় টিপ্পনী কেটেছিলেন। তাই অধিবেশন কক্ষের মর্যাদা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয় এবং তার ভিত্তিতেই এই কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি ঘেরাওয়ের প্রতিবাদে মৌলালিতে বিজেপির বিক্ষোভ

তবে সাসপেনশনের এই ধাক্কার পরও বিন্দুমাত্র পিছু হটতে নারাজ কল্যাণ। উল্টে সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়েই স্পিকারের পদক্ষেপ এবং বিদ্রোহী সাংসদদের একহাত নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। প্রকাশ্যেই তিনি তোপ দাগেন, “এখান থেকে আমাকে বহিষ্কার করে ওরা কী পাবে? দেড় মাস পর কলকাতায় একখানা বৈঠক করেছে ওই বড়জোর ২০ জনের একটা দল। পশ্চিমবঙ্গে একজন মানুষও ওদের ভোট দেয়নি, ওদের সঙ্গে ২০ জন ভোটারও নেই! ওরা সবাই চরম অসৎ ও বিশ্বাসঘাতক।” এখানেই না থেমে তিনি আরও এক বিস্ফোরক দাবি করে বলেন, “মনে রাখবেন, আর এক বছর পর এই সরকার পড়ে যাবে।”

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *