০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অপরাধ মাছ ধরার নৌকার আড়ালে অস্ত্রের রমরমা কারবার! গভীর সুন্দরবনে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪
অপরাধপশ্চিমবঙ্গ

মাছ ধরার নৌকার আড়ালে অস্ত্রের রমরমা কারবার! গভীর সুন্দরবনে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪

Share
Share

সুন্দরবন: মাছ ধরার সাধারণ একটি নৌকার আড়ালে চলছিল মারাত্মক অস্ত্র পাচারের কাজ। তবে শেষরক্ষা হলো না। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ভারতীয় কোস্ট গার্ড ও বন দপ্তর এক বিরাট সাফল্য অর্জন করেছে। সুন্দরবন এলাকা থেকে আটক করা হয় ‘আইএফবি ঝুমা’ নামের একটি সন্দেহভাজন ভারতীয় মাছ ধরার নৌকা। ওই নৌকায় সুনির্দিষ্ট ও কড়া তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং বেশ কয়েক রাউন্ড তাজা কার্তুজ। এই ঘটনায় নৌকায় থাকা চারজন ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গে আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে তাদের সুন্দরবন কোস্টাল থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হলে পুলিশ তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

[TECHTARANGA-POST:11224]

পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক তথ্যে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রগুলি ঠিক কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, জলপথে কোথায় পাচার করা হচ্ছিল এবং কী ধরনের নাশকতামূলক বা অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সেগুলি ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সুন্দরবনের মতো একটি সংবেদনশীল ও জলপথবহুল এলাকায় এই অস্ত্র চোরাচালানের নেপথ্যে আন্তর্জাতিক বা বড় কোনো চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না এবং এই ঘটনার সঙ্গে আরও অন্য কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে জানতে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হবে। বর্তমানে এই চাঞ্চল্যকর অস্ত্র পাচার কাণ্ডের জট খুলতে জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন।

[TECHTARANGA-POST:11221]

উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজ্যজুড়ে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছুদিন আগেই হাওড়ার নিশ্চিন্দা থানা এলাকা থেকে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র ও তিনটি ম্যাগাজিনসহ এক ট্যাক্সি চালককে গ্রেপ্তার করেছিল কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। এর পাশাপাশি, সিআইডি এবং অশোকনগর থানার যৌথ অভিযানে নৈহাটি-অশোকনগর রোডের আট নম্বর মোড় এলাকা থেকে একটি ম্যাজিক গাড়ি থেকে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্রসহ এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সে প্রায় ছটি আগ্নেয়াস্ত্র যার মধ্যে চারটি ৭ এমএম এবং দুটি ৯ এমএম পিস্তল, ১২টি ম্যাগাজিন এবং প্রায় দুশো রাউন্ড তাজা কার্তুজ পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। স্থলপথের পর এবার সরাসরি নদীপথে ও মাছ ধরার নৌকায় করে অস্ত্র পাচারের এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনায় উপকূলবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা হচ্ছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *