০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ ৪৮ ঘণ্টার ক্ষোভের পর নরম কেন্দ্র! বিহার-অসমে মামলা প্রত্যাহার, এবার কী হবে বাংলায়?
ভারতবর্ষরাজনীতি

৪৮ ঘণ্টার ক্ষোভের পর নরম কেন্দ্র! বিহার-অসমে মামলা প্রত্যাহার, এবার কী হবে বাংলায়?

Share
Share

সোমবার মধ্যরাতে কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে অংশ নেওয়া প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পরে ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও তা করা হয়নি। উল্টে অনেককে প্রেপ্তারও করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। 

[TECHTARANGA-POST:11306]

CJP-র হুঁশিয়ারির পরেই বিহার এবং তার পরেই বিজেপি শাসিত অসমও ধৃত নিট আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব মামলাও প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার গভীর রাতে বৈঠকের পর এই তথ্য জানিয়েছেন ‘ককরোচ’ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস। তাঁর দাবি, “কেন্দ্র আশ্বাস দিয়েছে, শুধু বিহার বা অসম নয়, এনডিএ শাসিত সমস্ত রাজ্যেই ধাপে ধাপে একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।” সোমবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে ‘ককরোচ’ মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, বিহার, বাংলা, দিল্লি-সহ একাধিক রাজ্যে বহু ছাত্রছাত্রীকে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিহার সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি প্রত্যাহার করা হবে। এছাড়া আটক ব্যক্তিদেরও মুক্তি দেওয়া হবে। পরে গভীর রাতে একই ধরনের সিদ্ধান্তের কথা জানায় হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার।  

[TECHTARANGA-POST:11296]

সৌরভ দাস জানান, “সাংবাদিক বৈঠকের পর প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হয়। সরকার আমাদের আশ্বাস দিয়েছে, আগামীকালের মধ্যেই সমস্ত রাজ্য থেকে প্রয়োজনীয় বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।” পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে সৌরভ দাস বলেন, তবে এই ঘোষণার মধ্যেই নতুন প্রশ্ন উঠেছে পশ্চিমবঙ্গকে ঘিরে। গত শুক্রবার কলকাতায় ‘ককরোচ’দের মিছিল ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। ডোরিনা ক্রসিংয়ে অবস্থান বিক্ষোভ চলাকালীন ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রের আশ্বাসের পর তাঁদের বিরুদ্ধেও কি মামলা প্রত্যাহার হবে? সেই দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *