রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে ইসকনের হাতে। তারপর থেকেই সকলের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, স্কুল পড়ুয়াদের থালায় কি আর ডিম থাকবে? কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সেই জল্পনার অবসান ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্ন থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ইসকন মিড-ডে মিলের দায়িত্ব নিলেও পড়ুয়াদের জন্য আলাদা করে ডিমের ব্যবস্থা করা হবে।
[TECHTARANGA-POST:11343]
বুধবার নবান্নে স্কুল কম্পোজিট গ্র্যান্ট প্রদান অনুষ্ঠানে সরকার ও সরকার-পোষিত ৮০,৩৭৫টি স্কুলের জন্য ২৯৬ কোটিরও বেশি টাকার আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করা হয়। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ১ আগস্ট থেকে ইসকনের মাধ্যমে কলকাতার একাংশের স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিল দেওয়া হবে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। তবে পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে হেল্প গ্রুপের মাধ্যমে স্কুলগুলিতে ডিম সরবরাহ করা হবে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেন, মিড-ডে মিলের বরাদ্দে এতদিনের বৈষম্যও দূর করা হয়েছে। আগে আপার প্রাইমারি ও হাই স্কুলে পড়ুয়া পিছু বরাদ্দ ছিল ১০ টাকা, আর প্রাইমারিতে ছিল ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। এবার থেকে প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়াদের ক্ষেত্রেও বরাদ্দ বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে।
[TECHTARANGA-POST:11340]
চলতি অর্থবর্ষের বাজেটে মিড-ডে মিল প্রকল্পের দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়ার কথা ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই শিক্ষামহলের একাংশে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ ছিল, ইসকন মিড-ডে মিল দিলে নিরামিষ খাবারের উপর জোর দেওয়া দেবে। এর ফলে মেনু থেকে ডিম বাদ পড়তে পারে। এই ইস্যু ঘিরে কলকাতা হাই কোর্টেও জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল।
Leave a comment