০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অপরাধ নেশার প্রতিবাদ করতেই স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপ, বাঁচাতে এলে মাকেও আক্রমণ! রক্তাক্ত অস্ত্র হাতে হেঁটে থানায় যুবক
অপরাধজলপাইগুড়িপশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গ

নেশার প্রতিবাদ করতেই স্ত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপ, বাঁচাতে এলে মাকেও আক্রমণ! রক্তাক্ত অস্ত্র হাতে হেঁটে থানায় যুবক

Share
Share

ধূপগুড়ি: রবিবার সকালে এক মর্মান্তিক ও হাড়হিম করা ঘটনার সাক্ষী থাকল জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি মহকুমার ভেমটিয়া এলাকা। পারিবারিক অশান্তির চরম পর্যায় পৌঁছে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, বউমাকে বাঁচাতে গেলে নিজের জন্মদাত্রী মাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ওই যুবক। এই নারকীয় তাণ্ডব চালানোর পর খুনে ব্যবহৃত রক্তাক্ত অস্ত্রটি হাতে নিয়ে নিজেই ধূপগুড়ি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে অভিযুক্ত জাহাঙ্গির আলম।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় তিন বছর আগে বারঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেমটিয়ার বাসিন্দা জাহাঙ্গিরের সঙ্গে বিয়ে হয় রুকসানা বেগমের। তাঁদের একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে। তবে বিয়ের কিছু সময় পর থেকেই জাহাঙ্গির বিভিন্ন নেশায় অতিরিক্ত আসক্ত হয়ে পড়ে। স্বামী নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরলে স্ত্রীর সঙ্গে তীব্র অশান্তি বাধত, আর তার প্রতিবাদ করলেই রুকসানার উপর চলত শারীরিক অত্যাচার। রবিবার সকালেও একইভাবে দু’জনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। অভিযোগ, বচসা চলাকালীন আচমকাই ধারালো অস্ত্র বের করে রুকসানার ওপর চড়াও হয় জাহাঙ্গির এবং এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। চিৎকার শুনে শাশুড়ি বউমাকে বাঁচাতে ছুটে এলে তাঁকেও কোপানো হয়, যার ফলে তাঁর পায়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয়।

ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে মারা যান রুকসানা বেগম। প্রতিবেশীরা ছুটে আসার আগেই অভিযুক্ত জাহাঙ্গির রক্তাক্ত অস্ত্র হাতে নিয়ে থানার উদ্দেশে রওনা দেয়। পুলিশ সূত্রে খবর, থানায় আত্মসমর্পণের পাশাপাশি জাহাঙ্গির কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় জাহাঙ্গিরের মাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কেবল পারিবারিক বিবাদ ও নেশার প্রকোপ নাকি অন্য কোনও পুরনো শত্রুতা কাজ করছিল, তা জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

[TECHTARANGA-POST:11891]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *