০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা ২৪ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশিতে ৬০ কোটির গরমিল! নাদিমুলকে ঘিরে আর কী তথ্য পেল ইডি?
কলকাতাকলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

২৪ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশিতে ৬০ কোটির গরমিল! নাদিমুলকে ঘিরে আর কী তথ্য পেল ইডি?

Share
২৪ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশিতে ৬০ কোটির গরমিল! নাদিমুলকে ঘিরে আর কী তথ্য পেল ইডি?
ফাইল ছবি।
Share

কলকাতা: টানা চব্বিশ ঘণ্টার তল্লাশি আর ম্যারাথন জেরা শেষে মঙ্গলবার সাতসকালে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হকের ডেরা থেকে বেরোলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আধিকারিকরা। কিন্তু তদন্তকারী দল বেরোতেই সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—যা নিয়ে এখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের দাবি, পার্কসার্কাসে নাদিমুল হকের একটি উর্দু সংবাদপত্রের দপ্তরের আড়ালে চলা বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অঙ্কটা নেহাত কম নয়, সেখানে স্পষ্ট গরমিল মিলেছে প্রায় ৬০ কোটি টাকার! গত মাসে বিধাননগর থানায় জমা পড়া একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার সাতসকালে সাংসদের কলকাতা, দিল্লি ও রাঁচির মোট সাতটি ঠিকানায় একযোগে হানা দেয় ইডি। তল্লাশি শুরুর সময় নাদিমুল ছিলেন রাঁচিতে; সোমবার রাতেই তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে কলকাতায় নিয়ে আসেন গোয়েন্দারা এবং তাঁকে মুখোমুখি বসিয়েই চলে রাতভর নথিপত্র যাচাই ও জেরা।

ইডি সূত্রে বিস্ফোরক দাবি, বাজেয়াপ্ত ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট ও ডিজিটাল নথি ঘেঁটে দেখা গিয়েছে বহু অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে, যার কোনও বৈধ নথি মেলেনি। এই বিপুল ৬০ কোটি টাকা আসলে কাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল, আর এর নেপথ্যে কোনও আন্তর্জাতিক বা আন্তঃরাজ্য হাওয়ালা যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে তৃণমূল সাংসদ সদুত্তর দিতে পারেননি বলেই সূত্রের খবর। স্বভাবতই এই ‘রহস্যময়’ ৬০ কোটি টাকাই এখন তদন্তের কেন্দ্রবিন্দু। যদিও কেন্দ্রীয় এজেন্সির এই সক্রিয়তাকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের স্পষ্ট বক্তব্য, দিনভর নাটক করে আর তল্লাশি চালিয়ে ইডির হাতে ‘শূন্য’ ছাড়া কিছুই মেলেনি; বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে স্রেফ পুরনো একটি ফোন আর ট্যাব, যাতে দলের নির্বাচনের রণকৌশল সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে। গোটা বিষয়টিকে পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই দাবি করেছে ঘাসফুল শিবির।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *