০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বাংলাদেশ সব সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ! ১৫ বিঘা জমি থেকে কোটি টাকার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স—আর কী কী রয়েছে হাসিনার নামে?
বাংলাদেশবাংলাদেশবিশ্ব

সব সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ! ১৫ বিঘা জমি থেকে কোটি টাকার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স—আর কী কী রয়েছে হাসিনার নামে?

Share
সব সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ! ১৫ বিঘা জমি থেকে কোটি টাকার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স—আর কী কী রয়েছে হাসিনার নামে?
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল চিত্র
Share

ঢাকা: বাংলাদেশে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকেই চরম অস্বস্তিতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বদেশে গণহত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে মৃত্যুদণ্ডের খাঁড়া ঝুলছে তাঁর মাথার ওপর। এবার সেই আইনি প্রক্রিয়াকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়ে তাঁর যাবতীয় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে অন্তর্বর্তী প্রশাসন। আদালতের কড়া নির্দেশের পর সংবাদমাধ্যমে সেই প্রক্রিয়া জোরকদমে চলার খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে নির্বাচনের সময় জমা দেওয়া হাসিনার সম্পত্তির সরকারি খতিয়ান। কত টাকার মালিক ছিলেন একসময়ের অপরাজেয় এই রাষ্ট্রপ্রধান, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহল এখন চরমে।

সরকারি হলফনামা অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মোট ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা, যা ভারতীয় মুদ্রায় দাঁড়ায় আনুমানিক ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা। নথিতে উল্লেখ রয়েছে, তাঁর হাতে নগদ টাকা ছিল মাত্র ২৮ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি টাকা। তবে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাঙ্কে তিনি সঞ্চিত রেখেছিলেন প্রায় ২ কোটি ৩৯ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা। এর বাইরে তাঁর নামে রয়েছে ১৫ বিঘারও বেশি উর্বর কৃষিজমি। বিলাসবহুল যানবাহনের তালিকায় রয়েছে তিনটি গাড়ি, যার একটি উপহার হিসেবে পাওয়া এবং বাকি দুটির সম্মিলিত বাজারমূল্য প্রায় ৪৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার সোনাদানা ও মূল্যবান ধাতু এবং ৭ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র নিজের মালিকানায় থাকার কথা জানিয়েছিলেন হাসিনা। আদালতের রায়ের পর এই বিপুল সম্পত্তিই এবার সরকারের কোষাগারে বাজেয়াপ্ত হতে চলেছে।

অন্যদিকে, ঢাকার এই সাঁড়াশি চাপের মুখেই ভারতে আশ্রিত অবস্থায় বিস্ফোরক মন্তব্য করে জল্পনা উসকে দিয়েছেন স্বয়ং শেখ হাসিনা। এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মাথার ওপর ফাঁসির পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও ডিসেম্বরের মধ্যেই তিনি নিজের মাতৃভূমিতে পা রাখতে বদ্ধপরিকর। তাঁর কথায়, ক্ষমতার লোভে নয়, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে নিজের মানুষের পাশে দাঁড়াতেই এই পদক্ষেপ। “আমি কি আজীবন বিদেশে পড়ে থাকতে পারি?”—এই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে স্বাধীনতার মাস ডিসেম্বরেই মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে ঢাকায় ফেরার চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন তিনি। হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার তোড়জোড় আর তাঁর এই প্রত্যাবর্তনের হুঙ্কার—উভয় টানাপোড়েন ঘিরে এখন ভারত-বাংলাদেশ দুই পারেই তৈরি হয়েছে চরম নাটকীয়তা।

[TECHTARANGA-POST:12435]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles