০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিনোদন অফবিট Tithi Basu: বিশ্বজিতের পাশে তিথি, ‘বিফ’ বিতর্কে এবার কেন নিশানায় ‘ঝিলিক’?
অফবিটবিনোদন

Tithi Basu: বিশ্বজিতের পাশে তিথি, ‘বিফ’ বিতর্কে এবার কেন নিশানায় ‘ঝিলিক’?

Share
Tithi Basu: বিশ্বজিতের পাশে তিথি, ‘বিফ’ বিতর্কে এবার কেন নিশানায় ‘ঝিলিক’?
ছবি সংগৃহীত
Share

গোমাংস খাওয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেছিলেন অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। তাঁর ওই মন্তব্য ঘিরেই এখন তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। কুরুচিকর ভাষায় কটাক্ষ, ট্রোল এমনকী মিমের শিকার হয়েছেন প্রবীণ অভিনেতা। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বজিতের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ‘মা’ ধারাবাহিকের জনপ্রিয় চরিত্র ‘ঝিলিক’ ওরফে তিথি বসু। তবে অভিনেতার সমর্থনে তিথি যা মন্তব্য করেছেন, তা ঘিরে আবার শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। 

[TECHTARANGA-POST:12479]

বিতর্কের সূত্রপাত সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকার থেকে। সেখানে বাংলাদেশে গিয়ে সেখানকার আতিথেয়তা এবং খাবারের প্রশংসা করেছিলেন বিশ্বজিৎ। বিশেষ করে গোমাংস এবং ইলিশের বিভিন্ন পদ তাঁর পছন্দ হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। সেই বক্তব্যের ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আর তারপর থেকেই কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন প্রবীণ অভিনেতা। কেউ তাঁকে ‘তথাকথিত বুদ্ধিজীবী’ বলে কটাক্ষ করেছেন, কেউ আবার দিয়েছেন ‘ডিম হামলা’র হুঁশিয়ারি। এমনকী বাংলাদেশে চলে যাওয়ার পরামর্শও পেয়েছেন অভিনেতা। এর মধ্যেই বিশ্বজিতের সমর্থনে সমাজমাধ্যমে সরব হন তিথি বসু।

বুধবার রাতে একটি ভিডিও বার্তায় তিথি বলেন, “বিশ্বজিৎ কাকু একজন সিনিয়র অভিনেতা। এবং মানুষ হিসেবেও অসাধারণ। নিজের সততা থেকেই সত্যি কথাটা বলেছেন উনি। তাছাড়া বাংলাদেশে গিয়ে কে, কী খাবেন বা খাবেন না? সেটা তো যাঁর যাঁর ব্যক্তিগত বিষয়।”  এরপর নিজের কাজের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে তাঁর বক্তব্য, “আমাদের ধারাবাহিকেই এমন অনেক ব্রাহ্মণ শিল্পী-অভিনেতা ছিলেন, যাঁরা সেটে বসে বিফ নিয়ে গল্প করতেন। এমনকী কলকাতার অনেক খ্যাতনামা জায়গায় যখন গোমাংস বিক্রি হত, সেখানে বেশিরভাগ হিন্দুরাই যেতেন। ২০১০ সাল নাগাদ বহু জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও চ্যানেল কর্মকর্তাদেরও দেখেছি বিফ খাওয়ার জন্য ছুটে যেতে।”

[TECHTARANGA-POST:12476]

বিশেষ করে তিথির আরও একটি মন্তব্য নিয়ে শুরু হয় জোর চর্চা। তিনি বলেন, “প্রচুর মানুষ গোমাংস খান। এটাই বাস্তব। এমনকী মুসলিমদের থেকে হিন্দুরাই বেশি বিফ খায়! যারা প্রকাশ্যে বলেন না, তাঁদের মধ্যেও অনেকেই হয়তো লুকিয়ে খান। কার কী ধর্ম বা খাদ্যাভ্যাস, সেটা একেবারেই ব্যক্তিগত বিষয়। সেটা অন্য কারও উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।” তিথির এই মন্তব্যের পরেই সরগরম হয়ে ওঠে সমাজমাধ্যম। নেটিজেনদের একাংশের মন্তব্য, ‘তুমিও গোমাংস খাও! তোমার প্রতি ভালোবাসা কমে গেল।’ কেউ লিখেছেন, ‘অপরিণত মস্তিষ্কে এই বিষয়ে তোমার কথা না বলাই ভালো।’ আবার কারও কটাক্ষ, ‘আমরা গোমাতার পুজো করি হিন্দুর নামে কলঙ্ক তুমি।’ অন্যদিকে কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, ‘গোমাংস খাওয়া ব্যক্তিগত বিষয় হতেই পারে, কিন্তু প্রকাশ্যে প্রচার করার দরকার কি?’

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *