০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ BJP VS BJP: সরকারি অনুদান পেতে মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ‘মাস্ট’! বীরভূমে জেলা সভাপতির বিড়ম্বনা ঠেকাতে মাঠে দিলীপ-সুকান্ত
পশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গবীরভূম

BJP VS BJP: সরকারি অনুদান পেতে মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ‘মাস্ট’! বীরভূমে জেলা সভাপতির বিড়ম্বনা ঠেকাতে মাঠে দিলীপ-সুকান্ত

Share
BJP VS BJP: সরকারি অনুদান পেতে মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ‘মাস্ট’! বীরভূমে জেলা সভাপতির বিড়ম্বনা ঠেকাতে মাঠে দিলীপ-সুকান্ত
পুজো কমিটির অনুষ্ঠানে বিজেপির জেলা সভাপতি। নিজস্ব ছবি
Share

সাঁইথিয়া ও কলকাতা: দুর্গাপুজোর মুখে সরকারি অনুদান এবং রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ছবি নিয়ে স্বঘোষিত ‘ফতোয়া’ জারি করে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন বীরভূমের বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মন্তব্যে বেফাঁস রাজনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হতেই তড়িঘড়ি ড্যামেজ কন্ট্রোলে মাঠে নামতে হলো পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ এবং রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে।

মঙ্গলবার সাঁইথিয়ায় স্থানীয় দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে বিড়ম্বনার সূত্রপাত। বৈঠকে বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি উদয়শংকর বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত হুমকির সুর চড়িয়ে বলেন, “যারা সরকারি অনুদান নেবেন, তাদের জন্য মণ্ডপে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানো বাধ্যতামূলক। অনুদান নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর ছবি না লাগালে আমি নিজেই কড়া অ্যাকশন নেব।” পুজোর প্রাক্কালে বিজেপি জেলা সভাপতির এমন মন্তব্যে জেলা রাজনীতিতে জোর বিতর্ক শুরু হয়ে যায়।

বিতর্কের পারদ চড়তেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন দিলীপ ঘোষ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সাঁইথিয়ার এই বিতর্কিত মন্তব্যের পর পাল্টা সাফাই দিয়ে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানান, “আমাদের সরকার এমন কোনও নির্দেশ দেয়নি। ওসব অতীত জমানার শর্ত ছিল। আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি না লাগালে অনুদানের টাকা মিলত না, আর নেতারা সেই টাকা থেকে কাটমানি খেতেন। আমাদের সরকার নির্দেশ দিয়েছে মা দুর্গার পুজো হচ্ছে, সবাই ভালো করে আনন্দ নিয়ে করবেন, তাতে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগানোর কোনও প্রশ্নই নেই।” দিলীপের সুরেই সুর মিলিয়ে সুকান্ত মজুমদারও স্পষ্ট করেন যে, সরকারের তরফে এই জাতীয় কোনও নিয়ম বা ফতোয়া জারি করা হয়নি।

উল্লেখ্য, পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে ‘কন্যাশ্রী’, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ কিংবা ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’-এর বিজ্ঞাপন এবং সাবেক মুখ্যমন্ত্রীর ছবিতে ছয়লাপ থাকার সংস্কৃতি দেখা যেত। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও বিজেপির জেলা সভাপতির মুখে সেই একই ‘ফতোয়া’ শুনে ক্ষুব্ধ রাজনৈতিক মহল। যদিও শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে স্পষ্ট হয়ে গেল, সাঁইথিয়ার মন্তব্য জেলা সভাপতির একান্তই ব্যক্তিগত বেফাঁস বয়ান।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *