০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ অপরাধ Murder Mystery: ব্যবসায়ী খুনে বদলে গেল সমীকরণ! সুব্রতর স্বীকারোক্তিতে কানপুর হত্যাকাণ্ডে সামনে এল কী?
অপরাধভারতবর্ষ

Murder Mystery: ব্যবসায়ী খুনে বদলে গেল সমীকরণ! সুব্রতর স্বীকারোক্তিতে কানপুর হত্যাকাণ্ডে সামনে এল কী?

Share
Murder Mystery: ব্যবসায়ী খুনে বদলে গেল সমীকরণ! সুব্রতর স্বীকারোক্তিতে কানপুর হত্যাকাণ্ডে সামনে এল কী?
কানপুর হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়!
Share

প্রথমে  সন্দেহের তীর ছিল পুত্রবধূর দিকে। এবার সেই তদন্তেই এল নাটকীয় মোড়। কানপুরের ওষুধ ব্যবসায়ী বিনীত মীনোচা খুনের ঘটনায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, ব্যবসায়ীর ছেলে সুব্রত মীনোচা নিজেই বাবার খুনের দায় নিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডে স্ত্রী শালুর কোনও ভূমিকা ছিল না। যদিও তাঁর এই স্বীকারোক্তি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

ঘটনাটি ঠিক কী হয়েছিল? 

গত ৫ সেপ্টেম্বর কানপুরের বাড়িতে খুন হন ৬৩ বছরের ব্যবসায়ী বিনীত মীনোচা। তাঁকে ছুরি দিয়ে হামলা করে খুন করা হয় বলে জানা যায়। তদন্তের শুরুতে উঠে আসে তাঁর পুত্রবধূ শালুর নাম।  প্রাক্তন কর্মী বিশাল গৌতম এবং তাঁর সহযোগী রাজকিশোরকে দিয়ে তাঁর শ্বশুরকে খুন করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলে অভিযোগ। সেই মামলায় শালুকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।

কিন্তু তারপর থেকেই তদন্তের গতিপথ বদলে যায়। পুলিশের দাবি, জেরার সময় প্রথমে স্ত্রীকে দায়ী করছিলেন সুব্রত। সূত্রের দাবি, পরে ধরা পড়ে যাওয়া নিশ্চিত বুঝতে পেরে বয়ান বদলান তিনি। বাবার খুনের দায় নিজের বলেই স্বীকার করেন। তদন্তে বিশালের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশের কাছে বিশাল দাবি করেছেন, সুব্রতই তাঁকে বাবাকে খুন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর জন্য ৬ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এমনকী ধরা পড়লে স্ত্রী শালুর নাম বলতে বলেছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন বিশাল। 

পুলিশ জানিয়েছে, বিশাল এবং সুব্রতর মধ্যে প্রায় ২৫৮টি ফোনকল হয়েছে বলে। অন্যদিকে বিশাল ও শালুর মধ্যে কলের সংখ্যা প্রায় ২৮। খুনের রাতে কে কোথায় ছিল, সেই হিসাবও মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।  প্রাথমিক টাইমলাইন অনুযায়ী, সুব্রত ও শালু রাত ৮টা ৫৯ মিনিটের দিকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। প্রায় ৯টা ৪৬ মিনিটে বিশাল ও আরও এক অভিযুক্ত বিনীতের বাড়িতে ঢোকে। তার কিছুক্ষণ পর সুব্রত ও শালু একটি অনুষ্ঠানে পৌঁছন। রাত প্রায় ১০টা ৫৮ মিনিটে বাড়িতে ঢোকেন বিনীত। এই সময়গুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

তদন্তকারীদের দাবি, সুব্রতর বাড়ির ক্যামেরাগুলি ২২ জুলাই থেকেই বন্ধ ছিল। সেগুলি খারাপ নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর পাশাপাশি তদন্তে উঠে এসেছে, সুব্রতর ২০ লক্ষ টাকারও বেশি দেনা ছিল। বাবার সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক বিবাদও ছিল বলে জানা গিয়েছে। এই আর্থিক চাপ বা পারিবারিক বিবাদের জেরে এই খুন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *