০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ জলপাইগুড়ি Jalpaiguri Crime: হুগলির বাসিন্দার রহস্যমৃত্যু জলপাইগুড়িতে, লুটের বাধা নাকি শত্রুতা? সিসিটিভি ফুটেজে খুনিদের খুঁজছে পুলিশ।
জলপাইগুড়িপশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গ

Jalpaiguri Crime: হুগলির বাসিন্দার রহস্যমৃত্যু জলপাইগুড়িতে, লুটের বাধা নাকি শত্রুতা? সিসিটিভি ফুটেজে খুনিদের খুঁজছে পুলিশ।

Share
Jalpaiguri Crime: হুগলির বাসিন্দার রহস্যমৃত্যু জলপাইগুড়িতে, লুটের বাধা নাকি  শত্রুতা? সিসিটিভি ফুটেজে খুনিদের খুঁজছে পুলিশ।
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি
Share

জলপাইগুড়ি: ভোরের আলো ফুটতেই চরম আতঙ্কের প্রহর জলপাইগুড়িতে। সকালের স্তব্ধতা ভেঙে শহরজুড়ে নেমে এল চাঞ্চল্য। একটি বেকারীর ভিতর ঢুকে তার ম্যানেজারকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার সকালে শহরের নয়াবস্তি এলাকার একটি নামী বেকারি থেকে উদ্ধার হয় ওই ম্যানেজারের রক্তাক্ত দেহ। সাতসকালে এমন নৃশংসে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সামনে আসতেই গোটা এলাকায় তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পৌঁছায় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। তড়িঘড়ি দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এটি কি নিছকই এক নৃশংস ডাকাতি নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে কোনো পুরানো শত্রুতা—তা নিয়ে ব্যাপক ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির নাম হাফিজুর রহমান। তিনি হুগলির পুরশুড়া থানা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি জলপাইগুড়িতে বসবাস করছিলেন এবং নয়াবস্তির ‘প্যারিস বেকারি’-তে টানা ম্যানেজারের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতেও কাজকর্ম শেষে বেকারীর কাজেই ভিতরে থেকে যান হাফিজুর। কিন্তু শুক্রবার সকালে সহকর্মীরা বেকারিতে ঢুকেই ভয়ে শিউরে ওঠেন। রক্তে ভেসে যাচ্ছিল মেঝে, আর তার মাঝেই নিথর হয়ে পড়ে ছিলেন হাফিজুর। সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় খবর ছড়ায় এবং স্থানীয়রাই জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় খবর দেন। ইতিমধ্যেই পুলিশ মৃত হাফিজুরের হুগলির পরিবারকে খবর দিয়েছে।

কী উদ্দেশ্যে বা কেন এমন ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড ঘটানো হলো, সে ব্যাপারে এখনও কোনো স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। তবে প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, রাতের অন্ধকারে বা ভোরের দিকে লুটের উদ্দেশ্যেই হয়তো বেকারিতে হানা দিয়েছিল কোনো দুষ্কৃতী দল। আর সেই সময় বাধা দিতে গিয়েই আততায়ীদের হাতে প্রাণ হারাতে হয় বেকারি ম্যানেজার হাফিজুরকে। অবশ্য পুলিশ কোনো একটিমাত্র দিক খোলা রাখছে না। লুটের পাশাপাশি ব্যক্তিগত কোনো পুরনো শত্রুতা বা ব্যবসায়িক রেষারেষির কারণে এই হত্যাকাণ্ড কি না, তাও সমান গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার মূল অপরাধীদের চিহ্নিত করতে দুর্ঘটনাস্থল ও আশেপাশের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে পুলিশ।

[TECHTARANGA-POST:12976]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *