০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home রাজনীতি কলকাতা President Murmu: মাদক বিরোধী আইনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত, রাজ্যের গুন্ডাদমন বিলে সই করলেন না রাষ্ট্রপতি; রাজ্যকে বিঁধে খোঁচা বিরোধীদের
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষরাজনীতিরাজনীতি

President Murmu: মাদক বিরোধী আইনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত, রাজ্যের গুন্ডাদমন বিলে সই করলেন না রাষ্ট্রপতি; রাজ্যকে বিঁধে খোঁচা বিরোধীদের

Share
President Murmu: মাদক বিরোধী আইনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত, রাজ্যের গুন্ডাদমন বিলে সই করলেন না রাষ্ট্রপতি; রাজ্যকে বিঁধে খোঁচা বিরোধীদের
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফাইল ছবি
Share

কলকাতা: রাজ্য বিধানসভায় ধুমধাম করে পাশ হলেও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দরবারে গিয়ে বড়সড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকারের বহুচর্চিত ‘গুন্ডাদমন বিল’। রাজ্য সরকারের পাঠানো সেই বিলের খসড়া সোজাসুজি ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত আইনটির একটি বিশেষ অংশের সঙ্গে ১৯৮৫ সালের কেন্দ্রীয় এনডিপিএস অর্থাৎ মাদক বিরোধী আইনের সরাসরি সংঘাত তৈরি হচ্ছে। আর সেই আইনি আইনি অসামঞ্জস্যতার কারণেই আপাতত বিলে নিজের অনুমোদন বা সই দিতে অস্বীকার করেছেন রাষ্ট্রপতি।

চলতি বছরের ২৯ জুন রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয়েছিল ‘পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল, ২০২৬’, যা প্রশাসনিক মহলে ‘গুন্ডাদমন বিল’ নামে পরিচিত। এই বিলের খসড়ায় পুলিশ ও প্রশাসনকে অভূতপূর্ব ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। বলা হয়, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠলে বা বড় কোনো অপরাধের চক্রান্ত করলে, অপরাধ ঘটার আগেই তাঁকে বিনা বিচারে টানা ১২ মাস আটকে রাখা যাবে। পাশাপাশি, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর হলে নির্ধারিত কমিশনের মাধ্যমে আসল ক্ষয়ক্ষতির দ্বিগুণ পর্যন্ত শাস্তিমূলক জরিমানা আদায়ের সংস্থানও রাখা হয়েছিল এতে।

এই বিলে ‘গুন্ডা’ ও ‘সমাজবিরোধী’-র পরিধি ব্যাপক বাড়ানো হয়। সিন্ডিকেটরাজ, তোলাবাজি, জোরজুলুম করে জমি বা বাড়ি দখল, বেআইনি বালি ও খনি কারবারের সঙ্গে যুক্তদের স্পষ্টত সমাজবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করার প্রস্তাব ছিল। প্রশাসন এই বিলটিকে দ্রুত আইনে রূপ দিতে আগ্রহী হলেও রাষ্ট্রপতির আপত্তিতে তা আপাতত আটকে গেল। তবে জানা যাচ্ছে, রাষ্ট্রপতি বিলটি ফেরত পাঠালেও প্রয়োজনীয় আইনি সংশোধন এনে সেটি ফের বিধানসভায় पेश করার পথ খোলাই রয়েছে নবান্নের সামনে।

এদিকে বিলটি রাষ্ট্রপতি ফেরত পাঠাতেই রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকারের এই আইনি ব্যর্থতা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী শিবির। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য প্রশাসনকে সোশাল মিডিয়ায় তীব্র খোঁচা দিয়ে লেখেন, বাস্তবে শুধু রিভার্স গিয়ারই চলছে এবং ভুল শুধরে হোমওয়ার্ক করার জন্যই খসড়াটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। এখন দেখার, নবান্ন কীভাবে এনডিপিএস আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশোধন এনে বিলটিকে পুনরায় পাশ করায়।

[TECHTARANGA-POST:12986]

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles